ফের PNB! ১০ হাজারের বেশি ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের তথ্য-ফাঁস

ফের PNB! ১০ হাজারের বেশি ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের তথ্য-ফাঁস




নীরব মোদীকে নিয়ে সম্মান ডোবার পর |এবার নয়া তথ্যে চাঞ্চল্য পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে। এশিয়া টাইমস-এর মত অনুযায়ী, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের 1oooo বেশি অ্যাকাউন্টের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড তথ্য ফাঁস হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটাই  দাবি করেছে ওই সংবাদসংস্থা। 


রিপোর্টে বলা  হয়েছে, কার্ডগুলি থেকে অ্যাকাউন্ড-হোল্ডারদের নাম, কার্ড নম্বর ও CVV নম্বরের মতো অতি গোপনীয় তথ্যও ফাঁস হয়ে গিয়েছে। । তবে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের তরফে এই বিতর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও আসেনি। 

আরো পড়ুন   যেকারণে ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে

. আমাদের সাথে লিখুন আবেদনের জন্য মেল করুন Sumanhaldar999@gmail.com

নীরব মোদীর ​₹10000 কোটির কেলেঙ্কারির ধাক্কা এখনও সামলে ওঠেনি PNB। তার মধ্যে এই নতুন সমস্যায় বিপদ বাড়বে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।
 আরো পড়ুন মোদীজির এই খুশির কারণ জানলে আপনিও খুশি হয়ে যাবেন !

ঘড়ির কাঁটা কেন ডান দিকে ঘোরে

         

পৃথিবীর সবকিছু থেমে  গেলেও কখনও থামে না ঘড়ির কাঁটা। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন। বাম দিকেও তো ঘুরতে পারত। এর  নির্দিষ্ট কারণ কি কখনো ভেবে দেখেছেন । এর কারন হল ঘড়ি আবিষ্কার হয়েছিল ইউরোপে। তার তখনের মানুষ সময় দেখত সূর্য ঘড়িতে। আর সেই সূর্য ঘড়ির প্রভাবেই ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে থাকল ডানদিকে। ইউরোপ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। তাই সূর্য হেলে থাকে দক্ষিণ আকাশে। এই জন্যই  সূর্য ঘড়িতে যে দন্ড থাকত তার ছায়া বাঁ থেকে ডান দিকেই সরে সরে যেত।  এই কারণেই ঘড়ির কাঁটাও ওই ভাবেই সরতে লাগল। বাম থেকে ডানদিকে। যাকে বলে ক্লকওয়াইজ। সূর্যঘড়ি কত বছড় হল আর ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু তার প্রভাব যেন আজও নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে ঘড়ির চলনকে। 
    আরো পড়ুন জয়পুরের রাস্তায় পাঁপড় বেচলেন হৃতিক, চিনতেই পারল না আম জনতা! বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে
         

মঞ্চে উঠে এক মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে পরলেও তার কথা শুনলেন না মমতা..

মঞ্চে উঠে এক মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে পরলেও তার কথা শুনলেন না মমতা..
.
উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ভেদ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে উঠে পড়লেন এক মহিলা,  মহিলা চোখের জল ফেলতে ফেলতে মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু বলার চেষ্টা করে কিন্তু তার কোনো কথা শোনেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দেখুন VDO:

যদি ভালো লাগে তাহলে
কমেন্টে জানান
এবং আরো.তাজা খবড়ের জন্য আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন
             


গরিব মমতার ভাইয়েরা সবাই কোটিপতি


ভারতের গরিব মুখ্যমন্ত্রীদের সারিতে দুই নম্বরে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ধনী সংসদ সদস্যদের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছেন রাজ্যের দিদি খ্যাত মমতার দলের ‘দাদারা’।
সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৫৭ সংসদ সদস্যের মধ্যে কোটিপতি ৩৫ জন। এর মধ্যে ২৯ জনই তৃণমূলের সংসদ সদস্য। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজারের। আরো পড়ুন

বলিউড তারকাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কার কতোদূর?

               

তারকাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশ কৌতুহলের বিষয়। কে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ল? কে কোন ডিগ্রি নিলো? ড্রপ দিলো নাকি? এত ব্যস্ততার মাঝে এত পড়াশুনা! এতসব কৌতুহল মেটাতে বলি পড়ার তারকাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার খোঁজ খবর দেওয়া হলো:

             অমিতাভ বচ্চন: 
 

বলিউডের তারকাদের হিসেবের খাতা খুললে তো তার নাম প্রথমে আসবে, সেটাই স্বাভাবিক। বলিউড শাহেনশাহ কিন্তু শিক্ষাদীক্ষাতেও কম নয়। বাবা বিখ্যাত ভারতীয় কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। তার ছেলে অমিতাভ কলা বিভাগে নৈনিতালের শেরউড কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন৷ এরপর সায়েন্স, আর্টস দুটি বিভাগেই দিল্লির কিরোরী মল কলেজ থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্মানিক ডক্টরেটও রয়েছে।

                         

আমির খান:

মিস্টার পারফেকশনিস্ট কিন্তু পড়াশুনায় পারফেকশনিস্ট ছিলেন না। মুম্বাইয়ের নারসি মনজি কলেজ থেকে মাত্র ১২ তম স্টান্ডার্ড শেষ করেছেন। দৌড়টা খুব বেশি হয়নি। ক্লাসে ছিলেন অনিয়মিত। বেশিরভাগ সময়টা তিনি নাটক নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। একটা সময় তো সিনেমাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। ব্যাস পড়াশুনার চ্যাপ্টার ক্লোজ।

                 সালমান খান: 

ব্যাচেলর ডিগ্রিটা নেওয়া হয়নি সালমানের। মুম্বাইয়ের বান্দ্রার ন্যাশনাল কলেজ থেকে ড্রপ আউট ছাত্র আজকের সল্লু। সালমান পড়াশোনা শুরু করেছেন গোয়ালিয়রের স্কিডয়া স্কুল দিয়ে। পরে মুম্বাই, বান্দ্রার সেন্ট স্টেনিসলাস হাইস্কুলে পড়েছেন। সালমানের পরিবার শোবিজ জগতের। বাবা সেলিম খান একজন প্রখ্যাত অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার। ছোটবেলা থেকেই তাকে নিয়ে তার পরিবারের ভাবনা ছিল কবে অভিষেক হবে বলিউডে। তাই সেভাবেই তার শুরু হয়ে গেল।

                           

শাহরুখ খান: 

কিং খান পড়াশুনাতে তেমন খারাপ ছিলেন না। দিল্লির হ্যান্সরাজ কলেজ থেকে অর্থনীতিতে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি নিয়েছেন শাহরুখ। পরবর্তীতে নয়াদিল্লীর জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া কলেজে গণযোগাযোগ বিষয়ে মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হন। তবে অভিনয়ে ব্যস্ততার জন্য আর সে ডিগ্রি সম্পন্ন করা হয়নি।

ঋত্বিক রোশান: 

মুম্বাইয়ের সিডেনহাম কলেজ থেকে কমার্সে গ্রাজুয়েশন। এর আগে মুম্বাই স্কটিশ স্কুলে। সিনেমায় কবে নাম লেখাবেন সেই অপেক্ষায় ছিলেন। পড়াশুনাটা ছিল জীবনের ফোর্থ সাবজেক্ট।

অক্ষয় কুমার: 

খিলাড়ির মনোযোগটা ছিল খেলাধুলায়। পড়াশুনার প্রতি বিশেষ মনোযোগটা কখনো ছিল না। মুম্বাইয়ের কিংস সার্কেলে ডন বসকো হাইস্কুল এবং গুরু নানক খালসা কলেজে পড়েছেন কিছুদিন। কলেজ থেকে বেরিয়ে ব্যাংককে মার্শাল আর্ট শিখতে চলে গেছেন। তারপর চাকরীর জীবন। এমনকি বাংলাদেশের হোটেল পূর্বাণীতেও রয়েছে তার কাজের অভিজ্ঞতা।

                               

        রণবীর কাপুর: 

কাপুর খানদানের সন্তান বলিউডে পা রাখাটা ছিল সময়ের ব্যাপার। তাই কোবোমতে চালিয়ে গেছেন শিক্ষাজীবন। মুম্বাই স্কটিশ স্কুল দিয়ে শুরু। গ্রাজুয়েশন করেছেন মুম্বাই এইচ আর কলেজ থেকে। নিউইয়র্কের লি স্ট্রাসবার্গ থিয়েটার এন্ড ফিল্ম ইনস্টিটিউটে অ্যাক্টিং মেথডে কোর্সও সম্পন্ন করেছেন।

ইমরান হাশমী: 

এমরান ছিলেন সাদামাটা ছাত্র। সিডেনহাম কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন। মুম্বাই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে তা শেষ করতে পারেননি।
               

আবারও টিভির পর্দায় আসছে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’

আবারও টিভির পর্দায় আসছে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিলেন তিনি। এরপরই হঠাৎ ছন্দপতন। অ্যালকোহলের নেশায় ক্যারিয়ারটাই প্রায় শেষ হতে বসেছিল কপিল শর্মার। তবে পুনর্বাসন শেষে আবারো চেনা জগতে ফিরে এসেছেন সেলেব্রেটি খেতাব পাওয়া এই কমেডিয়ান। তারই পথ ধরে আবারো টিভি শো নিয়ে ফিরছেন। এবারও সদলবলে নিয়ে তাকে দেখা যাবে ভারতের জনপ্রিয় বেসরকারি টিভি চ্যানেল ‘সনি টিভি’তে।
‘দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানাল, চ্যানেলটির সঙ্গে কপিল শর্মার বৈঠক হয়েছে আর নতুন শো নিয়ে ফেরার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শো’টির প্রোমোর শুটিংও হয়েছে। সবকিচু ঠিক থাকলে আগামী মার্চের শেষের দিকেই শো’টি টিভিতে অনএয়ার হবে। কপিলের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ‘দ্যা কপিল শর্মা শো’ ছেড়ে যাওয়া আরেক তারকা সুনিল গ্রোভার নাকি ফিরছেন না এই শোতে। তবে কিকু শারদা, সুমনা চক্রবর্তীরা থাকছেন এখানেও।
এর আগে অস্ট্রেলিয়া থেকে স্টেজ শো শেষ করে ফেরার পথে বিমানে সুনিল গ্রোভার ও বন্ধু চন্দন প্রভাকরের সঙ্গে ঝগড়া হয় কপিলের। তারপরই শো ছেড়ে বেরিয়ে যান সুনিল আর চন্দন। কপিলের বাল্যবন্ধু চন্দন পরবর্তীতে ফিরে আসলেও সুনিলকে দেখা যায়নি।

এরমধ্যে কপিল ”ফিরিঙ্গি” নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করলে সেটি বক্স অফিসে তেমন কোন আলোড়নই তুলতে পারেনি।

                       

জানেন মোট কত বার শেষ বলে ছয় মেরেছেন ধোনি? দেখে নিন তালিকা!

জানেন মোট কত বার শেষ বলে ছয়
মেরেছেন ধোনি? দেখে নিন তালিকা!

এখন আর তিনি অধিনায়ক নেই। ফলে, দলের কথা এখন নতুন অধিনায়ক ভাববেন। রেকর্ড বুকে নিজের নামের পাশে ঝুড়িঝুড়ি রান এতদিনে অনায়াসে লিখে ফেলতে পারতেন রাঁচির মতো ছোটো শহর থেকে উঠে আসা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা ক্রিকেটারটি। অনায়াসে ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বরে খেলা চালিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু, ক্রিকেটারটির নাম যে মহেন্দ্র সিং ধোনি। নিজের আগে জাতীয় দল বড়। দলের কথা ভেবে নিজেকে ম্যাচ ফিনিশার গড়ে তোলেন। আর সেখানেই এক দশক কাটিয়ে দেওয়া।

অধিনায়কত্ব ছাডার পর থেকে বারবার দাবি উঠেছে, ধোনিকে আরও ওপরদিকে তুলে আনা হোক। চার নম্বরে খেলানো হোক। তাহলে ধোনি অনেকক্ষণ ব্যাট করতে পারবেন, তরুণদের গাইড করতে পারবেন। আর তাতে ভারতের লাভ হবে।
এখন আগের মতো নেমেই মারকাটারি ব্যাটিং করেন না বলে অনেকে টি-২০ ক্রিকেট থেকে তাঁকে ছেঁটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু, কটকে বুধবার (২০ ডিসেম্বর) যেভাবে ব্যাট করলেন, তাতে সেই পরমার্শদাতাদের বিচক্ষণতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেলো এবার। ২২বলে ৩৯ রান যে ক্রিকেটারটি এখনও করতে পারেন শেষ পর্বে মাঠে, তাঁকে অচল বলে নিজেদের কি করে ক্রিকেট বোদ্ধা আখ্যা দেওয়া যায়? ১৮ বলে ৩২ রান করা মণীশ পান্ডেকে সঙ্গে নিয়ে ধোনি চতুর্থ উইকেটের জুটিতে অপরাজিত ৬৮ রান যোগ করে ভারতীয় ইনিংসকে ১৮০ রানে পৌঁছে দেন।
ইনিংসের সমাপ্তি ধোনি স্পেশাল ছয়ে। সর্বকালের সেরা ম্যাচ ফিনিশার এই নিয়ে টি-২০ ক্রিকেটে পাঁচবার কুড়িতম ওভারের শেষ বলে ছয় মেরে দলের হয়ে ইনিংসের সমাপ্তি করলেন (টার্গেট সেট করার সময়)। রেকর্ড বুক বলছে, আর কোনও ব্যাটসম্যান নাকি দু’বারের বেশি এমন কৃতিত্ব করতেই পারেননি।
লঙ্কান পেসার থিসারা পেরেরা ইর্য়কার দিতে গিয়ে ফুলটস দিয়ে বসেন। আর ধোনি তা মিড উইকেটে ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন। বল ব্যাটের মাঝামাঝি না লাগলেও, ধোনির কব্জির জোরে একবারে সোজা স্ট্যান্ডে গিয়ে পড়ে। ডিপ মিড উইকেটে দাঁড়ানো ফিল্ডার তখন দর্শকের ভূমিকায়।
তিন ধরনের ফরম্যাটের রেকর্ড একসঙ্গে করলে এই নিয়ে ধোনি ২৪ বার ছয় মেরে ইনিংসের সমাপ্তি করলেন। ১৩ বার ওয়ান-ডে ক্রিকেটে। এর মধ্যে ৯ বার রান তাড়া করতে নেমে। টি-২০ ক্রিকেটে ৮ বার। তার মধ্যে রান তাড়া করতে নেমে পাঁচবার। টেস্টের আসরেও ছয় মেরে ভারতীয় ইনিংসের সমাপ্তি করেছেন মাহি। রেকর্ড বুক বলছে, এক্ষেত্রে সংখ্যা তিনবার। আর তার চেয়ে বড় কথা, এই ২৪ বারের মধ্যে ২২ বারই ভারত জিতেছে।
২০০৫ সালের ৩১শে জুলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ডাম্বুলায় প্রথমবার ভারতীয় ইনিংসের শেষ বলে ছয় মারেন ধোনি। ওই ওয়ান-ডে ম্যাচে টার্গেট সেট করতে গিয়ে ক্যারিবিয়ান পেস বোলার জেরেমি লসনকে ছয় মারেন। এরপর আরও চারবার টার্গেট সেট করতে গিয়ে ভারতীয় ইনিংসের শেষ বলে ছয় মেরেছেন ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক।
টেস্টের আসরে ধোনির এই নজির প্রথম গড়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে ২৬ মে। মহম্মদ শরিফের বলে ছয় মেরেছিলেন তিনি। আর টি-২০ ক্রিকেট প্রথমবার এই নজির গড়া রান তাড়া করার সময়। ব্রেট লি’র বলে ২০০৭ সালে ২০ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। বাকি দু’বার রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। একবার সলমন বাট আর তারপর ইউনিস খানের বলে।
ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করার দিক থেকে ২০১১ সালের ২ এপ্রিল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ধোনির সেই ছয় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বিশ্বকাপ জেতার জন্য। ভারতকে দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করতে ধোনি সেদিন শ্রীলঙ্কার পেসার নুয়ান কুলশেকরার বলে ছয় মেরেছিলেন। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা মুহূর্ত ওটি।

পড়া না পারলে চুমু দিতে হবে- এ কেমন শাস্তি শিক্ষকের?


   বেহালার বাসুদেবপুর হাইস্কুলের ঘটনা। স্কুলের এক 
পার্শ্ব শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রী। শিক্ষকের নাম অতনু দাশগুপ্ত। স্কুলে ভৌতবিজ্ঞানের ক্লাস নেন তিনি। ছাত্রীর অভিযোগ, প্রতিদিন তিনি পড়া ধরেন এবং সঙ্গে এটাও জানিয়ে দেন যে কেউ পড়া না পারলে তাকে কান ধরে উঠবোস করতে হবে আর নাহলে তার গালে একটি “হামি” দিতে হবে।
কয়েকজন ছাত্রী শিক্ষকের গালে চুমু দিলেও এই ছাত্রীটি চুমু দিতে অস্বীকার করেন। তখন তাকে ৪০ বার কান ধরে উঠবোস করান শিক্ষক। বাড়ি ফিরে ছাত্রীটি সমস্ত ঘটনা পরিবারকে জানালে তারা পরের দিন স্কুলে হাজির হন। সেখানে কর্তৃপক্ষকে বলার পর অভিযোগ স্বীকার করেন ওই শিক্ষক। তবে স্থানীয় কাউন্সিলর শিপ্রা ঘটক থাকাকালীন একটি মুচলেকা লিখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় সেই শিক্ষককে। কিন্তু ব্যাপারটি মিটমাট করে দেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রীটির পরিবারকে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
স্কুলে পুলিশ এলেও থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি সেই পরিবার। তাদের প্রতিবেশীদের দাবি, ছাত্রীটিকে স্কুল থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিয়ে বহিস্কার করার হুমকি দিয়ে ব্যাপারটি মিটমাট করেন স্থানীয় কাউন্সিলর। এদিকে স্কুল পরিচালন কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ স্বীকার করে বলা হয় যে স্কুলকে বদনাম হওয়া থেকে বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলা ভাষা সম্পর্কে ৭ টি অজানা তথ্য যেটা জানলে আপনিও গর্বিত হবেন

বাংলা ভাষা সম্পর্কে ৭ টি অজানা তথ্য যেটা জানলে আপনিও গর্বিত হবেন

‘মোদের গরব মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা।’ কবি লিখেছেন। আমরাও আওড়াই। অথচ ভাষা হিসাবে ‘বাংলা’-র কোনও সম্মান নেই আমাদের কাছে। বাঙালিই একমাত্র জাত যারা নিজের মাতৃভাষায় কথা বলতে লজ্জা পায়। এই ব্যাপারে আমরা ‘জানেন দাদা, আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসে না’ বলতেই ভালোবাসি।
অথচ ভাষা হিসাবে বাংলায় কমতি নেই একটুও। ফ্রেঞ্চ ভাষার পর বাংলা ভাষা বিশ্বের দ্বিতীয় মিষ্টি ভাষা। প্রায় ২১০ লক্ষ মানুষ বাংলায় কথা বলেন। পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম কথ্য ভাষা হল বাংলা। এখানে আমরা বেছে নিয়েছি বাংলা ভাষা সম্পর্কে কয়েকটি অত্যাশ্চর্য তথ্য। যার কারণে বাঙালি হিসাবে আমরা গর্ববোধ করতেই পারি।

১) ভাষা হিসাবে বাংলাকে সরকারি স্বীকৃতি

বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। ভারতের ২৩টি সরকারি ভাষার মধ্যে বাংলা একটি। ত্রিপুরা। আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ভাষার মর্যাদা পেয়েছে বাংলা। আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জেও বাংলা ভাষার চল আছে। এছাড়াও আফ্রিকার একটি ছোট্ট দেশ ‘সিয়েরা লিওন’ বাংলাকে সাম্মানিক সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে।

২) বাংলা ব্যকরণ

একমাত্র ভাষা বাংলা যার ব্যকরণে লিঙ্গভেদ নেই। তবে এর ক্রিয়াপদের ব্যবহার খুবই শক্ত। একটু ভুল হলেই বাক্যের অর্থ পালটে গিয়ে বিতিকিচ্ছিরি কাণ্ড ঘটে যেতে পারে।

৩) বাংলাতেই আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

বাংলায় কথা বলার অধিকারে, বাংলা ভাষাকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে বাংলায় শুরু হয় আন্দোলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার দাবিতে হওয়া মিছিলের ওপর গুলি চালায় পুলিস। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও আসামে। প্রাণ হারান ১৭ যুবক। এই ঘটনাকে সম্মান জানিয়ে ১৯৯৭ সালে ২১ ফ্রেবুয়ারিকে মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো।

৪) ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বাংলায় লেখা

ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ রচনা করেছিলেন বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ যিনি একা হাতে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে দিয়েছেন নিজস্ব গতি। গীতাঞ্জলী লিখে পেয়েছেন নোবেল পুরস্কার।
বাংলায় এমন অনেক শব্দ আছে বাক্যের গঠন অনুযায়ী যার অর্থ বদলে যায়। যেমন ‘তার’ শব্দ। জড় বস্তু বোঝানো ছাড়াও প্রানী বোঝাতেও এই শব্দের ব্যবহার আছে। অনেক সময় মানুষের কাছে যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। বাংলা ভাষা জানা না থাকলে এই শব্দের ব্যবহার বোঝা সত্যি মুশকিল।

৬) বাংলা থেকে সৃষ্টি হয়েছে অনেক ইংরেজি শব্দ

চলার পথে ভাষারা একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে যায়। তৈরি হয় নতুন অক্ষর, শব্দ। কিন্তু খোদ শব্দের উচ্চারন ধার করে শব্দ তৈরি হওয়াটা অবাক ব্যাপার। বাংলার ক্ষেত্রে সেটাই ঘটেছে। ইংরেজি অনেক শব্দ সরাসরি এসেছে বাংলা থেকে। যেমন ভ্রাতা থেকে ব্রাদার।

৭) ভিন্ন শিকড় থেকে উতপত্তি হয়েছে বিভিন্ন বাংলা শব্দের

বাংলায় প্রায় লাখ খানেক ভিন্ন শব্দ আছে। যার মধ্যে পঞ্চাশ হাজাড় বাংলার নিজস্ব। ২১,১০০ শব্দ এসেছে সংস্কৃত থেকে। কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপের সংস্পর্ষে থাকায় বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সান্নিধ্যে এসে তাদের অনেক শব্দকে বাংলা নিজের করে নিয়েছে। মুঘল ও ইংরেজদের কাছাকাছি আশায় তুর্কি, পারসি, ফারসি ভাষাকেও আপন করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছে বাংলা।
এরপরেও বাংলাকে ভালো না বেসে পারা যায়!

কেমন লাগল কমেন্টে জানান

এবার রেলের চাকরি নিয়ে একটি বড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের

এবার রেলের চাকরি নিয়ে একটি বড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের

2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার। এবার রেলের চাকরিতে আবেদনের বয়সের উর্ধ্বসীমা বাড়ানো হল আরো ২ বছর। রেলের গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদের জন্য ২ বছর বাড়ানো হলো যার ফলে আরো অনেকে সুযোগ পাবে।

বর্তমানে গ্রুপ C ও গ্রুপ D পদে মোট 89409 পদে নিয়োগের আবেদন রেল মন্ত্রক দিয়েছিল,
সেখানেই বলা হয় গ্রুপ C পদে চাকরির আবেদনের বয়সসীমা 28 বছর থেকে বাড়িয়ে 30 বছর ও সাথে o BC প্রার্থী 33 বছর এবং SC ও ST   35 বছর প‌র্যন্ত আবেদন করতে পারবে।
এবং অন্যদিকে গ্রুপ C পদেও বয়সের উর্ধ্বসীমা 28  থেকে বাড়িয়ে 30 বছর করা হয়। ও তার সাথে ওবিসি প্রার্থীদের 36 ও তপসিলি জাতি ও উপজাতি প্রার্থীদের 38 বছর বয়স করা হয়। রেল এর তরফ থেকে জানানো হয় বাংলার সাথে সাথে মালায়লম, তামিল, কন্নড়, ওড়িয়া ও তেলেগুতেও প্রশ্নপত্র হবে।

                        

রাস্তায় পাঁপড় বেচলেন হৃতিক, চিনতেই পারল না আম জনতা! বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে

 রাস্তায় পাঁপড় বেচলেন হৃতিক, চিনতেই পারল না আম জনতা!

অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর রূপ নিয়ে কম চর্চা হয় না। নীল চোখ আর পেশিবহুল শরীরের প্রেমে এখনও অনেকেই মশগুল|
হৃতিক রোশন । এমন সুদর্শন নায়ক  রাস্তায় সাইকেলে চড়ে পাঁপড় বিক্রি করলেন , অথচ কেউ চিনতেই পারলেন না। এমনটাই ঘটেছে জয়পুরের রাস্তায়।
বেশ কয়েকদিন ধরেই ‘ সুপার 30’র শুটিং করছেন হৃতিক। ‘সুপার 30’-র অঙ্কের শিক্ষক আনন্দ কুমারের চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে।2002 সালে ‘সুপার 30’-র অভিযান শুরু করেছিলেন আনন্দ কুমার। উদ্দেশ্য ছিল দুঃস্থ পরিবারের মেধাবি পড়ুয়াদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া।IIT মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার উপযুক্ত করে তোলা। প্রথম বছরেই 30 জনের মধ্যে 18 জন পড়ুয়া আইআইটি-র প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তারপর আর থেমে থাকেনি ‘সুপার30’-র যাত্রা।
2017 সালে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায়30 জনের মধ্যে
30 জনই আইআইটির প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করেন। সাধারণ মানুষের এই অসাধারণ কাহিনি পর্দায় তুলে ধরতে চলেছেন পরিচালক বিকাশ বহেল। ছবির চিত্রনাট্যও তিনিই লিখেছিলেন।

                         
আর আনন্দ কুমারের চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে গিয়েই নিজেকে সম্পূর্ণ পালটে ফেলেছেন হৃতিক। এলোমেলো চুল ও মুখ ভরতি দাঁড়ি নিযে এভাবেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন রাজস্থানের প্রত্যন্ত এলাকায়। হৃতিকের লুক দেখে অভিভূত আনন্দও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হৃতিকের লুক দেখার পর নিজের কলেজ জীবনের একটি ছবি বের করেছিলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, এর আগে ছদ্মবেশে এভাবে রাস্তায় ঘুরতে দেখা গিয়েছিল আমির খানকে। ‘3 ইডিয়ট’-এর সময় । ফ্যান সেজে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। তবে হৃতিক এমন কোনও চেষ্টা করেননি। তিনি কেবল রিয়েল লোকেশনে শুটিং করেছেন মাত্র।
সুত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন