লাখ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়ে গেছে

সোশ্যাল মিডিয়া  ফেসবুক  এর  লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়ে গেছে। 
Facebook 
সোশ্যাল মিডিয়া  ফেসবুক  এর  লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়ে গেছে।  এমন  দাবি ক্যামব্রিজ বিশ্ব বিদ্যালযের  গবেষকদের, 2012 সালের আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সাহায্য করেছে, ফেসবুকের 5 মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করেছে।
এই রিপোর্টগুলি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এবং ফেসবুকের স্টকটি অভ্যন্তরীণ ট্রেডিংয়ের 8% পড়েছে। আমেরিকার সরকার এবং বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এই রিপোর্টগুলিতে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপিত করেছে।

    আমেরিকার সরকার এবং বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এই রিপোর্টগুলিতে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপিত করেছে।
    যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এই বিষয় টি  “অত্যন্ত গুরুতর” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “জনগণের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে যে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখা হবে এবং তারা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হবে।”
    মার্কিন আইনসভা ব্যবহারকারী তথ্য চুরি করা অভিযোগের উপর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ফেসবুককে অনুরোধ করেছে।

    ইরাকে নিখোঁজ হওয়া 39 জন ভারতীয় জীবিত নেই

    ইরাকে নিখোঁজ হওয়া 39 জন ভারতীয় জীবিত নেই


    পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ রাজ্যসভাকে জানান যে, ইরাকে নিখোজ. 40 জন ভারতীয়র মধ্যে 39 জন নিহত হন। 

    সুষমা বলেন, ইরাকে 39 জন নিখোঁজ ভারতীয়  আর জীবিত নেই। এটি নিয়ে দেশের মধ্যে একটি অনিশ্চয়তা  ছিল, 

    তিনি বলেন যে 40 তম ব্যক্তি হারজিৎ, যিনি একজন মুসলিম ছিলেন, সেখানে থেকে পালিয়ে যান।

    বিদেশী মন্ত্রী বলেন মৃতের আত্মীয়দের ডিএনএ নমুনা পূরণ করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃতের মধ্যে 31 জন পাঞ্জাব থেকে এসেছিলেন, চারজন হিমাচলে ছিলেন এবং বাকিরা পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের অধিবাসী ছিলেন


    জিও-তে এবার বিনামূল্যে ১০ জিবি অতিরিক্ত ডেটা!

    জিও-তে এবার বিনামূল্যে ১০ জিবি অতিরিক্ত ডেটা!

    1) রিলায়েন্স জিও গ্রাহকদের জন্য দারুণ খবর। এবার আরও বেশি ডেটা…
    2) গ্রাহকদের জন্য অন্য সমস্ত সার্ভিস প্রোভাইডরদের তুলনায় ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা।
    3) জানা যাচ্ছে, রিলায়েন্স জিওর এই অতিরিক্ত ১০ জিবি ফ্রি ডেটা সবাই পাবেন না। কিছু নির্দিষ্ট নির্বাচিত গ্রাহক এই অফার পাবেন।
    4) জিও গ্রাহকরা যাঁরা জিও টিভি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করেন। তাঁরা অতিরিক্ত ১০ জিবি ডেটা বিনামূল্যে পেয়ে যাবেন।
    5) এছাড়া, ২৭ মার্চের মধ্যে ১০ জিবি ডেটার বৈধতাও শেষ হয়ে যাবে।
    6) তবে, এই অতিরিক্ত ডেটা আপনি কাস্টোমার কেয়ারে ফোন করে কিংবা জিও স্টোর থেকে মোটেই পাবেন না। বলতে গেলে একপ্রকার লটারির মাধ্যমে সৌভাগ্যবান গ্রাহককে বেছে নেবে কোম্পানি।
    7) এই অতিরিক্ত ডেটা যারা পাবেন, তাঁরা সেই ডেটা দিনের নির্দিষ্ট ডেটা লিমিটের পরই শুধুমাত্র ব্যবহার করতে পারবেন।

    আর ব্যবহার করতে পারবেনা paytm বা অন্য মোবাইল ওয়ালেট

    যদি আজ থেকে আপনি আপনার মোবাইল ওয়ালেটে টাকা ভরতে  না  পারবেন , তাহলে আপনি রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে তার জন্য দোষ দিতে পারেন। ডিজিটাল পেমেন্ট শিল্পের উপর বড় প্রভাব কি হতে পারে, মোবাইল ওয়ালেটগুলি তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য সম্পূর্ণ কেওয়াইসি জমা দিতে হবে, ব্যতীত কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক তার অপারেশনগুলিতে গুরুতর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।

    ভারতীয় পেমেন্টস কাউন্সিল, প্রিপেইড পেমেন্টের জন্য শিল্প সংস্থা, অর্ডারটি প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ককে বারবার অনুরোধ করে এবং সম্পূর্ণ কেওয়াইসি ছাড়া 10,000 টাকা পর্যন্ত জালিয়াতি করার অনুমতি দেয়, আরবিআই জানায় যে প্রতিটি পেমেন্ট উপকরণকে অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে কেওয়াইসি নিয়ম অনুযায়ী তারা বর্ধিত ব্যাঙ্কিং ইকোসিস্টেমেরও অংশ।

    মোবাইল ওয়ালেট এর প্রতিষ্ঠাতা বিনয় কান্ত্ত্রী, বলেন
    ”   আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ভোক্তাদের উপর গুরুতর প্রভাব পড়বে, তবে আমরা আশা করি যে দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত পরিবেশের জন্য এটি ভাল কারণ হবে প্যাটার্সগুলি গ্রাহকদের কাছে অ্যাক্সেস পাবে। , “

    ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের মতে, যেসব গ্রাহকরা তাদের অনুমোদনযোগ্য নথিগুলি জমা করে না এবং তাদের ওয়ালেট প্রদানকারীদের মাধ্যমে বায়োমেট্রিকের  যাচাইয়ের কাজ করে না, সেগুলি ভল্টের মধ্যে নতুন করে মানি লোড করতে পারবেন না, আগে থেকে থাকা টাকা অন্য কোথাও স্থানান্তর করতে পারবেন এবং শুধুমাত্র ব্যবহার করতে পারবেন।

    শিল্পের অনুমানের দিক থেকে বলা হয়েছে যে বিভিন্ন প্রিপেইড ওয়ালেট সার্ভিসের গ্রাহকরা প্রায় 90% গ্রাহককে তাদের কেওয়াইসি-এর কাজ না করে দিয়েছে এবং মার্চ 1 থেকে প্যাটার ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের নিষ্ক্রিয় করা হবে।

    এবার নিজের বিরুদ্ধে হওয়া ট্রলের বিরোধিতা করলেন দেব নিজেই … স্টুডিওতে বসেই কি বললেন দেখুন

    ফেসবুকে এখন ট্রল পেজগুলিতে দেব নিজেকে নিয়ে প্রতিদিন  ট্রল আর জোক্স দেখার পর, এবার মুখ খুললেন টলিউডের সসুপারস্টার দেব। তাকে প্রশ্ন করা হল যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিযে চলা ট্রল তিনি কিভাবে ম্যানেজ করেন। তিনি উত্তরে যা বললেন শুনে সত্যি অবাক হবেন নোম। এত ঠান্ডা ভাবে ব্যাপারটা ম্যনেজ করলেন যেন সেটা কিছুই না দেবের কাছে।

    একটি গ্রামের ছেলে হয়েও বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি তে  এসে দেব বাংলা সিনেমা কে অনেক উন্নত ও আর্থিক মজবুত করে দিয়েছে এতা নিঃসন্দেহে ঠিক।।কিন্তু দেব কে নিয়ে এই ট্রল শুরু হয় যখন দেব কে মহানায়ক পুরষ্কার দেওয়া হয় তখন থেকে। তাতে দেবের দোষ বা কোথায় বলুন ?? আমরা বাঙালিরাই তো তাকে মহানায়ক হিসাবে বেছে নিয়েছি আর তাকে নিয়েই তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় খিল্লি করছি তা নিয়ে।
    দেব বারবার ই বাংলা সিনেমা কে নতুন কিছু দেওয়ার চেষ্টা করে এসেছেন, তাসত্ত্বেও সোশাল মিডিয়ার বিভিন্ন পেজ গুলি তাকে ছেড়ে কথা বলেনি।। বারবার হয়েছে ট্রল সুপারস্টার দেব কে নিয়ে। এবার সহ্যের বাঁধ ভেঙ্গেছে, দেব এবার নিজেই মুখ খুললেন পেজ গুলির বিরুদ্ধে আর নিউজ চ্যানেলের এক ইন্টার্ভিউতে বসে জবাব দিলেন ।

    গরিব মমতার ভাইয়েরা সবাই কোটিপতি

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি


    আমি একটা কথা  ভাবছি গরিব দের জন্য, সমাজের জন্য কাজ করতে করতে কিকরে তাদের সম্পত্তি দুই গুন তিনগুন বৃদ্ধিপায় | কিন্তু আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এই কথাটি কাজে লাগে না|
    কারন

    ভারতের গরিব মুখ্যমন্ত্রীদের সারিতে দুই নম্বরে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। 
    কিন্তু তার সম্পাতি বেড়েছে অন্য দিকে৷
     পশ্চিমবঙ্গের ধনী সংসদ সদস্যদের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছেন রাজ্যের দিদি নামে খ্যাত মমতার দলের ‘দাদারা’।
    সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের 57 সংসদ সদস্যের মধ্যে কোটিপতি 35 জন। এর মধ্যে 29 জনই তৃণমূলের সংসদ সদস্য। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, ও আনন্দবাজারের।
    বেসরকারি নজরদার সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR ) সম্প্র্রতি দেশের সকল মুখ্যমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের সম্পত্তি ও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়।
    দেখা গেল মানিক সরকারের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের দ্বিতীয় গরিব মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মমতা গরিব হলেও, লোকসভায় তার দলের অর্ধেকের বেশি সংসদ সদস্যই কোটিপতি। তালিকার সবচেয়ে উপরে অভিনেতা দেব, যার সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় 15 কোটি টাকা। আর সবচেয়ে কম সম্পত্তি ঝাড়গ্রামের উমা সোরনের, 4.99লাখ টাকা।
    রাজ্যসভাতেও ছবিটি  কম-বেশি এক। তালিকায় প্রথমে রয়েছেন তৃণমূল সংসদ সদস্য কে ডি সিংহ। তার ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ 83 কোটি টাকা। সবচেয়ে নিচে 3.19 লাখ টাকার সম্পত্তির মালিক হলেন তৃণমূলের নাদিমুল হক।
    গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগের প্রশ্নে অবশ্য প্রথমেই রয়েছেন কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী। 16 টি মামলা রয়েছে তার নামে। এর পরে তৃণমূলের ইদ্রিশ আলি, 9 টি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। এ ছাড়া 4 টি মামলা রয়েছে তাপস পালের নামে।

    প্রথমের লাইন গুলি বলার কারন আশ করি সব  পরিষ্কার বুঝতে পারছেন 
    আমার কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে ব্যক্তি গত কোনো সমস্যা নেই 
    কিন্তু যেটা সত্য সেটা সত্যই থাকে

    ভালো লাগলে  কমেন্টে জানান 

    গরিব মমতার ভাইয়েরা সবাই কোটিপতি


    মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি


    ভারতের গরিব মুখ্যমন্ত্রীদের সারিতে দুই নম্বরে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ধনী সংসদ সদস্যদের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছেন রাজ্যের দিদি খ্যাত মমতার দলের ‘দাদারা’।
    সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ৫৭ সংসদ সদস্যের মধ্যে কোটিপতি ৩৫ জন। এর মধ্যে ২৯ জনই তৃণমূলের সংসদ সদস্য। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজারের।
    বেসরকারি নজরদার সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর) সম্প্র্রতি দেশের সব মুখ্যমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের সম্পত্তি ও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নিয়ে সমীক্ষা চালায়।
    দেখা যাচ্ছে ত্রিপুরার মানিক সরকারের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের দ্বিতীয় গরিব মুখ্যমন্ত্রী। তবে মমতা গরিব হলেও, লোকসভায় তার দলের অর্ধেকের বেশি সংসদ সদস্যই কোটিপতি। তালিকার সবচেয়ে উপরে অভিনেতা দেব, যার সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। আর সবচেয়ে কম সম্পত্তি ঝাড়গ্রামের উমা সোরনের, ৪.৯৯ লাখ টাকা।
    রাজ্যসভাতেও চিত্রটি কম-বেশি এক। তালিকায় এক নম্বরে তৃণমূল সংসদ সদস্য কে ডি সিংহ। তার ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ৮৩ কোটি টাকা। সবচেয়ে নিচে ৩.১৯ লাখ টাকার সম্পত্তির মালিক তৃণমূলের নাদিমুল হক।
    গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগের প্রশ্নে অবশ্য এক নম্বরে কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী। ১৬টি মামলা রয়েছে তার নামে। এর পরে তৃণমূলের ইদ্রিশ আলি, ৯টি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। এ ছাড়া ৪টি মামলা রয়েছে তাপস পালের নামে।


    5 বছরের কমবয়সিদের জন্য নীল ‘বাল আধার

    5 বছরের কমবয়সিদের জন্য নীল ‘বাল আধার
    A Child below 5 years of age gets a blue colored
    Aadhaar called “Baal Aadhaar “
    পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের জন্য এবার নীল রঙের আধার কার্ড চালু করল ইউনিক আইন্ডেফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই)। এই বিশেষ আধার কার্ডের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাল আধার’। এর জন্য শিশুদের বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হবে না। পাঁচ বছর বয়স পূর্ণ হলে অবশ্য বাধ্যতামূলকভাবে বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হবে। ১৫ বছর বয়স হলে ফের বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হবে।
    ইউআইডিএআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক বছর বয়স হলেই ‘বাল আধার’-এর জন্য আবেদন করা যাবে। পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের আধারের সঙ্গে তাদের বাবা-মা বা অভিভাবকের আধারের তথ্য সংযুক্ত থাকবে। পাঁচ বছর বয়স হয়ে যাওয়ার পর বিনা খরচে শিশুদের আধারের সঙ্গে বায়োমেট্রিক তথ্য যুক্ত করা হবে।

    পিএনবি-র পর ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স, ঋণখেলাপের অভিযোগের তদন্তে সিবিআই

               
    Oriental Oriental Bank of India
    পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের পর এবার ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স। আরও একটি  ব্যাঙ্কের  থেকে ঋণ নিয়ে শোধ না করার অভিযোগ উঠল শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে। 109 কোটি টাকা লোনের অভিযোগে দেশের অন্যতম চিনি পরিশোধন সংস্থা সিমভাওলি সুগার্স সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেছে CBI । এফআইআর-এ নাম রয়েছে এই সংস্থার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর গুরমিত সিংহ মান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর গুরপাল সিংহ এবং সিএফও, এগজিকিউটিভ ও নন-এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর সহ আরও 8 জনের।
    ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্সের অভিযোগ, 2011 সালে আখচাষিদের টাকা দেওয়ার কথা বলে 109 কোটি টাকা ঋণ নেয় সিমভাওলি সুগার্স। যে কৃষকদের টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়, তাঁদের প্রত্যেকের নাম জমা দেওয়া হয় ব্যাঙ্কে। তবে যে কেওয়াইসি জমা দেওয়া হয়, তাতে ভুল ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করার পর আজ সকাল থেকে দিল্লি ও উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    নিরব মোদির উপর হামলা নরেন্দ্র মোদির



    কংগ্রেসের আমল থেকে হয়ে আসা কেলেঙ্কারি বতর্মান মোদী সরকারের আমলে একে একে চোখে আসছে। তার কারণ এই যে মোদী সরকারের আমলে দেশের বড় বড় চোর,মাফিয়ারা শান্তিতে দেশে বাস করতে পারছে না। এরকম অবস্থায় কংগ্রেসের মতো বিরোধী দলগুলি মোদীর দুর্নাম ছড়াতে ব্যাস্ত।যে যাই বলুক মোদী সরকার পিএনবি কেলেঙ্কারিরতে অভিযুক্ত নীরব মোদীর পেছনে যেভাবে উঠেপড়ে লেগেছে তা শুনলে আপনি মোদি সরকারের প্রশংসা করবন। যদিও কংগ্রেস প্রচার চালাচ্ছে যে, নীরব মোদীর ব্যাপারে নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চুপ করে আছেন। আপনাদের জানিয়ে দি, মোদী সরকারের তৎপরতায় নীরব মোদীর ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েগেছে এবং UD (ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) নীরব মোদীর প্রচুর  দামি ঘড়ি সিজড করেছে এবং নীরব মোদীর প্রায় 40 কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। UD নীরব মোদীর এক ব্যাঙ্ক একাউন্ট থেকে 30 কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। ইডি নীরব মোদীর | 176 টি স্টিল আলমারি , 158 টি বাক্স এবং 6o টি প্লাস্টিক কোনটাইনের থেকে প্রচুর পরিমানে দামি ঘড়ি উদ্ধার করেছে।
    আজ সেন্ট্রাল প্রোব এজেন্সী নীরব মোদীর কোম্পানি থেকে 13.86 কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে।

    বৃহস্পতিবার দিন UD নীরব মোদীর 9 টি লাক্সজারি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে যার মূল্য আকাশ ছোঁয়া ,ওই একই দিনে নীরব মোদী এবং তার মামার মিউচিয়াল ফান্ড থেকে 98 কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে UP। এছাড়াও UD নীরব মোদী গ্রুপের | | 10o টি কারেন্ট একাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্মেন্ট এবং UD ,ভারতে এবং বিদেশে বেআইনি ভাবে টাকা ট্রান্সফার করে এই রকম 2o টি কোম্পানিকে খুঁজে বের করেছে। এক ইডি অফিসার জানিয়েছেন 11.400 কোটি টাকা হংকং ব্রাঞ্চের ASIX BANK এবং ALAHABAD BANK এ পাঠানো হয়েছে।আমরা টাকাটা ট্র্যাক করার চেষ্টা করছি।
    অন্যদিকে CBI বিপুল আম্বানি সহ | 12 জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
    আরো পড়ুন যে কারণে ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে