চাঞ্চল্যকর তথ্য! পেট্রোলের মূল্য হতে চলেছে ৩৪ টাকা প্রতি লিটার।

চাঞ্চল্যকর তথ্য! পেট্রোলের মূল্য হতে চলেছে ৩৪ টাকা প্রতি লিটার।

পেট্রোলের মূল্য হতে চলেছে ৩৪ টাকা প্রতি লিটার এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে উঠে আসছে। দিন দিন বাড়তে থাকা পেট্রোলের মূল্য থেকে অনেকটাই রেহায় পাবে সাধারণ মানুষ। যদিও বর্তমানে পেট্রোলের মূল্য কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে যেখানে বিগত ১২ মাসে পেট্রোলের মূল্য প্রায় ৮৭ টাকায় পৌছে গিয়েছিল সেখানে এখন পেট্রোলের মূল্য নেমে ৭৩ টাকার কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে।খবরে আসছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্তে মনোনীত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র করে ডিজেল পেট্রোলের দাম কমানোর জন্য ট্যাক্স ও ডিলারের কমিশন বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রস্তাব কেন্দ্রীয় কমিশন।

এই প্রস্তাব কার্যকরী হলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বর্তমানে থেকে অনেকটাই কমে লিটার পিছু ৩৪ টাকায় এসে  দাঁড়াবে বলে দাবি করছে কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শিব রতন শুক্লা লোকসভায় লিখিতভাবে জানিয়েছেন এমনটাই সূত্রের খবর আসছে । অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, পেট্রোল যে বাজারে বিক্রি হয় তার পিছু ৯৬.৬ শতাংশ কর এবং ডিলারের কমিশন যুক্ত রয়েছে । এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ কর আদায় করা হয়। মন্ত্রকের দাবি এই কোন কমিশন বাদ দিলে এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে ডিজেল ও পেট্রোলের মূল্য। এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেছেন, আর্থিক গত বছরে কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোলের উপর ৭৩,৫১৬৮ কোটি টাকা  এবং ডিজেলের উপর  ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা শুল্ক আদায় করেছিল।


শুধু তাই নয় আর্থিক চলতি বছরের গত ছয় মাসে ২৫,৩১৮ কোটি টাকার শুল্ক আদায় করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবং ডিজেলের শুল্ক মিলেছে ৪৬,৫৪৮ কোটি টাকা।  গত অক্টোবর মাসে শুল্ক কমানোর কারণে জ্বালানির দাম ধীরে ধীরে কমতে দেখা গেছে । যদিও এ শুল্ক কমানোর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের ৭,০০০ কোটি টাকার লোকসান দেখা গেছে। এমনটাও জানা গেছে ডিজেল ও পেট্রোলের জন্য এ প্রস্তাব কার্যকারী হলে ডিজেল পেট্রোলের দাম এক ধাপে অনেকটা কমলেও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচুর কোটি টাকা লোকসান হওয়ার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ডিজেলের দাম ছিল ৬৪ টাকা (নিউ দিল্লি) প্রতি লিটার পিছু যার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের শুল্ক ছিল ১৩.৮০ টাকা এবং ভ্যাট ৯.৯১ টাকা ও ডিলারের কমিশন ২.৫০ টাকা । যদিও বর্তমানে ডিজেল ও পেট্রোলের মধ্যে মূল্য বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ন্ত্রিত , তবুও একধাক্কায় যদি এতটা জ্বালানি দ্রব্যের দাম কমে তাহলে সাধারণ মানুষ অনেকটাই উপকৃত হবেন এবং এর ফলও লোকসভায় দেখা যাবে ।

Reliance Jio দু বছরের মধ্যে একটি বড় রেকর্ড করেছে

Reliance jio 


Reliance Jio দু বছরের মধ্যে একটি বড় রেকর্ড করেছে

ভারতের রেটিংস অ্যান্ড্র রিপোর্ট অনুসারে রিলায়েন্স জিওর মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে, রিপোর্ট অনুসারে টেলিকম কোম্পানির কাছে এই সময়ে 20.5% য়ের শেয়ার আছে আর বলা হয়েছে যে শেয়ার মার্কেটে বৃদ্ধির কারন কোম্পানির প্রিপেড রিচার্জ প্ল্যান

টেলিকম ইন্ডাস্ট্রি আর রিলায়েন্স জিও সম্প্রতি শুরু হলেও কোম্পানি এই দুবছরে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের আলাদা ছাপ ফেলেছে। আলাদা আলাদা ডোমেনে কোম্পানি অনেক সাফল্য পেয়ছে। আর এই সবে মার্কেট শেয়ার যেখানে কোম্পানি নিজদের জায়গা করেছে। দিল্লি নির্ভর রেটিং এজেন্সি ‘India Ratings and Research (Ind-Ra)’ রিপোর্ট অনুসারে রিলায়েন্স জিওর বাজারে এই সময়ে মোট শেয়ার 20.5%। আর এই সংখ্যা আগস্ট 2018 সালের।

আমরা যদি বাকি রিপোর্টের দিকটি দেখি তবে দেখা যাবে যে অপারেটাররা মান্থলি সাবস্ক্রিপশানে 5% য়ের গ্রোথ হয়েছে। প্রায় 9.8 ওয়ারলেস সাবস্ক্রিপসার্স রিলায়েন্স জির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আর খবর সত্যি হলে বলা হচ্ছে যে রিলায়েন্স জিওর কারেন্ট মার্কেট স্ট্যাটাস আর কম্পিটিটিভ প্রাইসিং মানে প্রিপেড রিচার্জ কম্পিটিটিভ দামের কারনেই এই ফল। আর টেলিকম কোম্পানি গুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা হওয়ার জন্য জিও তাদের রিচার্জ প্ল্যান আর ট্যারিফে অনেক পরিবর্তন করেছে। নতুন প্ল্যানের অফার্সের সঙ্গে এসেছে। আর এই মান্থলি সাবস্ক্রিপশান গ্রোথ একটি ভাল কারন বলে মনে করা হচ্ছে।
WhatsApp ব্যবহার করলে হতে পারে জেল

কোম্পানি 4G বাজারে সবার কাছে পৌঁছানোর জন্য আর এখন রিলায়েন্স জিও বাকি সব টেলিকম কোম্পানি গুলির তুলনায় এই কোম্পানি অনেক সস্তার প্ল্যান নিয়ে আসে। 100 টাকার মধ্যে জিওর আনলিমিটেড ভয়েস কলের সুবিধা আছে। আর অন্য একটি রিপোর্ট অনুসারে এই বছরের মধ্যে মানে 2017 র আগস্ট থেকে 2018 র আগস্ট পর্যন্ত রিলায়েন্স জিও সব থেকে বেশি প্রায় 88 মিলিয়ান ভিসিটার লোকেশান রেজিস্টার (VLR) সাবস্ক্রাইবার্স এডিশান রেকর্ড করেছে।
আর সেখানে ভারতী এয়ারটেল এক বছরে 67 মিলিয়ান সাবস্ক্রাইবার্স করেছে। ইন্ডিয়া রেটিংস রিসার্জ এজেন্সি বলেছে যে , ‘গত 12 মাসে 12.2 মিলিয়ান সাবস্ক্রাইবার্স মান্থলি এডিশান জিওর এখনও পর্যন্ত সব থেকে বড় প্রাপ্তি’।

সরকার আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে ডেটার উপর নজর রাখবে

সরকার আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে ডেটার উপর নজর রাখবে

সরকার চাইলে আপনার কম্পিউটারকে স্ক্যান করতে পারে তাতে কি ডেটা আপনি রেখেছেন তা দেখতে পারে । সিবিআই  ও আরও নটি এজেন্সির কাছে এই পারমিশন আছে যে তারা আপনার কম্পিউটারকে স্ক্যান করতে পারে এবং এর মধ্যে থাকা ডেটা দেখতে পারে ।
কিছুদিন আগে আমি একটা পোস্ট করেছিলাম যেখানে আমি বলেছিলাম যে হোয়াটসঅ্যাপে কি কি করলে আপনারা যে হতে পারে কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ তো একটা end-to-end এনক্রিপশন সার্ভিস । যে মেসেজ সেন্ড করবে আর রিসিভ করবে তার কাছেই সেই যেটা থাকবে তাহলে সরকার কি করে জানবে যে আমরা কি সেন্ড বা রিসিভ করছি । আসলে আপনি যখন কোন ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটি এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকবেন তখন সরকার হোয়াটসঅ্যাপ এর কাছে আপনার ডিটেইলস চাইবে যেখানে আপনার যাবতীয় তথ্য ওয়াটস অ্যাপ দিয়ে দেবে আপনি কি সেন্ড করছেন কি রিসিভ করছে।
এমন অর্ডার এসে গেছে যেখানে দশটি গভর্মেন্ট এজেন্সি যে কোন সন্দেহজনক ব্যক্তির কম্পিউটার মোবাইল স্ক্যান করে তার মধ্যে থাকা ডেটা দেখতে পারবে।
WhatsApp ব্যবহার করলে হতে পারে জেল

আর আপনি যদি কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন দেখাতে মানা করেন তাহলে আপনার সাত বছরের জেল হতে পারে । যদি আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে কিছু নাও পাওয়া যায় তাও আপনার যেভাবে কারণ আপনি দেখাতে মানা করেছিলেন।
আর এই এজেন্সি গুলি হল
 ,
১Narcotics Control Bureau,
২ Enforcement Directorate,
৩ Central Board of Direct Taxes, ৪Directorate of Revenue Intelligence;
, ৫ Central Bureau of Investigation,
৬National Investigation Agency Cabinet Secretariat (RAW),
৭ Directorate of Signal Intelligence (For service areas of Jammu & Kashmir,
৮ North-East and Assam only),
৯ and Commissioner of Police, Delhi.
১০ Intelligence Bureau

যেহেতু সরকার যেকোনো সময় যেকোনো ব্যক্তির কম্পিউটার স্ক্যান করে তার যেটা বের করতে পারবে তাহলে এর অপব্যবহার
  হতে পারে। আর এটা আমাদের প্রাইভেসিকে উলংঘন করে। তাই এই আইনের বিরুদ্ধে দুটো দলের দুটো মত আছে । কেউ বলছে এটা অপরাধীদের ধরতে সুবিধা হবে। আমার কেউ বলছে এতে জনসাধারনের প্রাইভেসি বলে কিছু থাকবে না।
আপনার কি মতামত কমেন্টে জানান ।br />

WhatsApp ব্যবহার করলে হতে পারে জেল

WhatsApp ব্যবহার  করলে হতে পারে জেল   

 না আমি মজা করছি না আপনি যদি  WhatsApp ব্যবহার করার সময় এই বিষয় গুলি লক্ষ্য না করেন তো আপনার জেল হতে পারে

। কেউ কেউ মনে করে যে  WhatsApp হল encripted সার্ভিস  আমরা এখানে যা খুসি তাই করতে পারি , কিন্তু না আপনি পারেন না ।
কি কি আপনি  WhatsApp এ করতে পারেন না সেতা আমি বলছি

১ যদি আপনি  WhatsApp Group এর Admin হন আর আপনি এমন লোকেদের আপনার WhatsApp Group এ  রেখেছেন যাদের আপনি চেনেন না
তাহলে আপনার ভয় পাবার কথা কারন আপনার  WhatsApp Group এ  যদি কেউ কোন অসামাজিক কোন কাজ করে তাহলে পুলিশ আপনাকে ধরবে কারন  WhatsApp Group Admin আপনি
। যদি কেউ কোন মিথ্যা খবর পোস্ট করে আর তার জন্য যদি কোন দাঙ্গা হয় তো আপনি তো নিশ্চয়ই জেলে হবে কেউ আটকাতে পারবে না (যদি দাঙ্গা না হয় তাও মিথ্যা খবর পোস্ট করলে জেল হতে পারে )
কারন Admin আপনি
তাই কোন অজানা বাক্তি কে  WhatsApp Group অ্যাড  করবেন না .
যদি কোন অসামাজিক কাজ য়াপ্নার নজর এ আসে তো আগে পুলিশ কে খবর দিন
তা হলে আপনি বাচতে পারেন

২যদি আপনি এমন কিছু  WhatsApp এ share করেন যেখানে দেহ ব্যবসা বা child pornography  (হয়ত pornography) কিছু থাকে। বা আপনি যদি এমন
কোন Group এ থাকেন যেখানে এসবshare তাহলে আপনার জেল হতে পারে।


আপিনি যদি এমন কিছু  share করেন যেখান এ কোন নেতা বা অন্য কোন বাক্তির মাথা কেটে অন্য কিছুর বা অন্য কারো উপর লাগানো হয় তাহলে আপনার জেল হতে পারে
। জদিও যে কোন সোশাল নেটওইয়ারকিং  সাইট এ  share করলে  জেল হতে পারে

৪  যদি আপনি কোন মেয়ে কে বিরক্ত করেন  তাহলে আপনার জেল হতে পারে |
 যদি আপনার অভ্যাস হয় fake id বানানোর তা হলে আপনার শুধরে যাওয়া উচিত কারন  WhatsApp এ  অন্য কারো নাম বা নাম্বার   ব্যবহার করা কঠোর ভাবে  নিষিদ্ধ |
 অন্য কারো নাম্বার  WhatsApp ব্যবহার করা বেআইনি  আর আপনার এমন করা উচিত নয় । এর জন্য আপনার জেল হতে পারে |

৫ যদি আপনি এমন কিছু  share যা কোনো ধর্ম বা জাতি কে আঘাত করে তা হলে এমন করবেন না তা হলে আপনার জেল হবে কেউ আটকাতে পারবে না |
তাই আপনার এমন কিছু share করা উচিত নয় যা কোন জাতি বা ধর্ম কে আঘাত করে |

৬ যদি আপনি মিথ্যা খবর পোস্ট করেন বা আপনার কাছে কোন মিথ্যা খবর  আসল আর আপনি না জেনে  shareকরে দিলেন তাও আপনার জেল হতে পারে
তাই কোন খবর share করার আগে যাচাই করুন খবর তা সত্ত্য না মিথ্যা ।

7  যদি আপনি চুরি করা বস্তু বিক্রি করছেন বা কিনছেন তাহলে তো আপনার জেল হববেই
 খুব সস্তা তে যদি কিছু আপনি  whatsapp facebook  পান তাহলে সাবধান হয়া জান ওটা চুরি করা আর ওটা কিনলে আপনার জেল হবে

 ৮ যদি আপনি কারো আনুমতি ছাড়া তার  photo বা video তুলেন তাহলে আপনার জেল হবে । অনেকে আছে বাস বা অন্য কোনো জাইগা তে মেয়ে দের ছবি তুলে WhatsApp এ  shar করেন এটা বেআইনি ।
 WhatsApp এ  shar করুন বা না করুন কারো অনুমতি ছাড়া ছবি তলা বেআইনি (অপরাধির ছবি আলাদা ব্যপার )

 যদি ভাল লাগে  আর আপনি আমার লেখা আর পোস্ট পরতে চান তো Free তে subscrib করুন  যখন আমি কোন পোস্ট upload করব আপনার কাছে  notifiction চলে যাবে

কোন প্রশ্ন থাকলে comment করুন

ব্যক্তিগত জীবনকাহিনী | ভারতের প্রধানমন্ত্রী – নরেন্দ্র মোদী

ব্যক্তিগত জীবন 2014 সালের 26 may সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনের প্রাঙ্গণে ইতিহাস রচিত হল। ঐ দিন নরেন্দ্র মোদী ভারতের মানুষের কাছ থেকে এক ঐতিহাসিক জনাদেশ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে ভারতের মানুষ একজন প্রাণবন্ত, স্থিরমতি এবং উন্নয়নমুখী নেতাকে দেখেছেন। যিনি শতকোটি ভারতীয়ের আশা-আকাঙ্খা রূপায়ণে এক আলোর প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। উন্নয়নের ওপর তাঁর জোর, খুঁটিনাটি বিষয়ে তাঁর নজরদারি ও দরিদ্রদের মধ্যে দরিদ্রতম মানুষদের জীবনে গুণগত পরিবর্তনে তাঁর উদ্যোগ নরেন্দ্র মোদীকে একজন জনপ্রিয় এবং শ্রদ্ধাভাজন নেতা হিসাবে দেশে সর্বত্র প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর জীবন যেন সাহস, করুণা এবং নিরবচ্ছিন্ন কঠোর পরিশ্রমের এক অভিযাত্রা। খুব কম বয়সে তিনি মানুষের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। তৃণমূল স্তরের কর্মী হিসাবে, সংগঠক হিসাবে এবং তাঁর নিজের রাজ্য গুজরাটের ১৩ বছর মুখ্যমন্ত্রীত্বের কার্যকালের মেয়াদে প্রশাসক হিসাবে তাঁর দক্ষতা তিনি তুলে ধরেছেন। যেখানে, মানুষের জন্য এবং সুপ্রশাসনের জন্য তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে তিনি এক অসাধারণ পরিবর্তনসাধন করেছেন।

চরিত্র গঠনের বছরগুলি

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের আগে নরেন্দ্র মোদী অনুপ্রেরণাময় জীবনের শুরু হয় উত্তর গুজরাটের মেহসানা জেলার ভাদনগর নামের এক ছোট শহরের অলিগলিতে। ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্ম হয়। তার ঠিক তিন বছর আগেই ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এজন্য তিনি স্বাধীন ভারতে জন্মানো ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি দামোদরদাস মোদী এবং হীরাবাঈ মোদীর তৃতীয় সন্তান। তিনি অত্যন্ত দরিদ্র এক পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁদের পুরো পরিবার 40 ফুট X 12 ফুট একটি একতলা বাড়িতে থাকতেন। নরেন্দ্র মোদীর চরিত্র গঠনের প্রথমদিকের বছরগুলিতে তিনি কঠোরতার শিক্ষা পান। একইসঙ্গে, তিনি তাঁর পড়াশোনা এবং অবসর সময়ের মধ্যে সমতাবিধান করে পারিবারিক চায়ের দোকানে সময় দিতেন। কারণ, তাঁর পরিবার জীবিকা নির্বাহের জন্য এই কাজ করত। তাঁর স্কুলের বন্ধুদের স্মৃতিচারণে জানা যায়, বালক বয়সে তিনি ছিলেন পরিশ্রমী, বিতর্কের প্রতি তাঁর ঝোঁক এবং নতুন নতুন বই পড়ার আগ্রহ তাঁর ছিল। স্কুলের বন্ধুরা জানিয়েছেন, কিভাবে শ্রী মোদী স্থানীয় গ্রন্থাগারে ঘন্টার পর ঘন্টা পড়াশুনা করতেন। সেই বয়সে তিনি সাঁতার কাটতেও ভালোবাসতেন। শিশু বয়সে শ্রী মোদীর চিন্তা-ভাবনা এবং স্বপ্ন তাঁর বয়সের অন্যান্যদের তুলনায় ছিল অনেকটাই আলাদা। হয়তো, তাঁর চরিত্রে বহু শত বছর আগে বৌদ্ধধর্মের শিক্ষা এবং দর্শনের কেন্দ্র হিসাবে ভাদনগরের প্রভাব পড়েছিল। বাল্য বয়সেই তাঁর মনে সমাজে পরিবর্তন আনার এক স্পৃহা তিনি অনুভব করতেন। তিনি স্বামী বিবেকানন্দের কাজে বিশেষভাবে প্রভাবিত হন। স্বামীজির প্রভাবেই তাঁর ভাবজগতের অভিযাত্রা শুরু হয়, যা তাঁকে ভারত’কে জগতের শ্রেষ্ঠ হিসাবে পরিণত করার স্বামীজির স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে প্রেরণা দেয়। সতেরো বছর বয়সে তিনি বাড়ি ছেড়ে ভারত পরিক্রমায় বেরিয়ে পড়েন। দু’বছর ধরে তিনি ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে বৈচিত্র্যময় ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হন। বাড়ি ফিরে আসার পর তিনি এক পরিবর্তিত মানুষে পরিণত হন। যে মানুষটির মধ্যে জীবনে যা তিনি অর্জন করতে চান তার একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য তৈরি হয়েছে। তিনি আমেদাবাদে গিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে যোগ দেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আর.এস.এস.) ভারতের সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে কর্মরত এক সমাজ-সংস্কৃতিমূলক এক সংগঠন। 1972 সালে আমেদাবাদে গিয়ে তিনি যখন আর.এস.এস. – এর প্রচারক হিসাবে কাজ শুরু করেন তখন তাঁর জীবন ছিল কঠোর পরিশ্রমের। তাঁর দিন শুরু হত ভোর পাঁচটায় এবং গভীর রাত্রে তা শেষ হত। 1970 – এর দশকের শেষের দিকে যুবক নরেন্দ্র মোদী জরুরি অবস্থায় বিপর্যস্ত ভারতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে যোগ দেন। 1980’র দশকে সঙ্ঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে একজন আদর্শ সংগঠক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হন। 1987 সালে গুজরাটে বি.জে.পি.’র সাধারণ সম্পাদক হিসাবে তাঁর জীবনে এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। নতুন দায়িত্বে তাঁর প্রথম কাজ ছিল আমেদাবাদ নগর নিগমের নির্বাচনে বি.জে.পি.’র প্রথম জয়লাভ নিশ্চিত করা। এছাড়া, 1990 সালে গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচনে বি.জে.পি. যাতে কংগ্রেসের পরেই দ্বিতীয় স্থান দখল করে তাও তিনি নিশ্চিত করেন। 1995 সালে বিধানসভা নির্বাচনে শ্রী মোদীর সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে বি.জে.পি.’র জনসমর্থন বৃদ্ধি পায়। এই বিধানসভা নির্বাচনে বি.জে.পি. 121টি আসন লাভ করে। 1995 সাল থেকে শ্রী মোদী বি.জে.পি.’র জাতীয় পর্যায়ের সম্পাদক হিসাবে হরিয়ানা এবং হিমাচলপ্রদেশের সাংগঠনিক দায়িত্ব পান। বি.জে.পি.’র সাধারণ সম্পাদক হিসাবে 1998 সালের লোকসভা নির্বাচনে বি.জে.পি.’র জয় নিশ্চিত করার জন্য তিনি কাজ করে যান। 2001 – এর সেপ্টেম্বর মাসে শ্রী মোদী তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রী বাজেপেয়ীর কাছ থেকে একটি ফোন পান। তার পর থেকেই তাঁর জীবনে নতুন আরেকটি অধ্যায়ের সূচনা হয়। এই পর্যায়ে সাংগঠনিক রাজনীতির কঠিন এবং কঠোর পথ থেকে তিনি প্রশাসনে যোগ দেন। নরেন্দ্র মোদীর জীবনের বাকি অংশ জানতে  প্রশাসকের জীবন বি.জে.পি.’র সংগঠনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যক্তি থেকে দেশের অন্যতম সুপ্রশাসক হিসাবে স্বীকৃত এক নেতা হিসাবে এক দশকে নরেন্দ্র মোদীর উত্থানে লুকিয়ে আছে সহজাত দৃঢ়তা এবং প্রচণ্ড প্রতিকূলতার মধ্যেও শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রদানের এক অসাধারণ কাহিনী। রাজনৈতিক সংগঠন থেকে নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসনিক জীবনে কর্মপরিবর্তনে তিনি সময় বা প্রশিক্ষণের কোনও সুযোগ পাননি। প্রশাসনিক জীবনের প্রথমদিন থেকেই শ্রী মোদী’কে কাজের মধ্য দিয়েই প্রশাসনের রীতিনীতির বিষয়ে শিক্ষা নিতে হয়েছে। প্রশাসক হিসাবে কাজের মেয়াদের প্রথম 100 দিনেই নরেন্দ্র মোদী দেখিয়েছেন কিভাবে তাঁর মধ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে এই পরিবর্তন প্রভাব ফেলেছে। শুধু তাই নয়, এই 1০০ দিনের কাজের সময়কালেই তিনি এও দেখিয়েছেন কিভাবে বাঁধা গতের বাইরে গিয়ে স্থিতিশীলতার পরিবর্তন করতে হয় এবং প্রশাসনিক সংস্কার করতে হয়। > উন্নয়ন এবং সুপ্রশাসনের উজ্জ্বল উদাহরণ হিসাবে জাগ্রত গুজরাট সৃষ্টি করতে নরেন্দ্র মোদীর রাস্তা মোটেই সহজ ছিল না। এই রাস্তা ছিল প্রতিকূলতা এবং চ্যালেঞ্জে ভরা। গত এক দশক ধরে নরেন্দ্র মোদীর চরিত্রের যে বৈশিষ্ট্যটি অপরিবর্তিত থেকেছে, তা হল – প্রচণ্ড প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর নেতৃত্বদানের শক্তি। সুপ্রশাসনের ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গি হিসাবে তিনি সবসময়েই রাজনীতির উর্ধ্বে উঠতে চেয়েছেন। উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কাজে শ্রী মোদী কখনই রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে প্রতিবন্ধক হতে দেননি। যখন শ্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু করেছেন তখনও প্রশাসন এবং সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর মধ্যে মিলিয়ে দেবার চিন্তাভাবনা কাজ করেছে। ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বাধিক সরকারি পরিচালনামূলক কাজ’ – শ্রী মোদীর এই দর্শনের সবচেয়ে সুন্দর নিদর্শন হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ সুপ্রশাসনের জন্য তাঁর ‘পঞ্চ – অম্রুত’ সংগঠন ভাবনা। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছ থেকে তিনি যেসব পুরষ্কার পেয়েছেন তার মধ্যেই তাঁর কাজের স্বীকৃতি প্রতিফলিত হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী ভারতের একটি অঙ্গরাজ্যের সবচেয়ে সফল মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রশাসকের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা সঙ্গে এনেছেন।

আবার অনশনে অণ্ণা, এবার জোড়া চাপে নরেন্দ্র মোদী

শুক্রবার দিল্লিতে আমরণ যাত্রা শুরু প্রবীণ গাঁধীবাদী নেতা অনানা হজরে। রামলীলা ময়দানে অনাথনে অনশনে সেই পুরানো দাবি কেন্দ্রে লোকপাল এবং সব রাজ্যে লোকায়ত্রিতকরণের দাবি এ আমরন অনশন  সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের সমস্যা নিয়েও কম অনামণা কৃষক সমস্যা নিয়ে স্বামীনথন কমিটির সুপারিশ কার্যকর আছে দাবি দাবি এছাড়াও আছে অণনা দুর্নীতি দমনে লোকপাল গঠনের দাবি 2011 সালে দিল্লির রামলীলা ময়দানেই আমরণ অনশনে বসে আন্নাজা হজরে। সেই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র দেশে ‘মায়া হিউ মান্না’ স্লোগান হত্তয়া রাজ্য রাজ্যে চাপা পড়া কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার লোকপাল গঠনের প্রতিশ্রুতি দেয় এর পরেই অনশন তুলে নেন অনারা দেশের রাজনীতিতে সরগরম হয়ে উঠেছে আন্নাকে পেয়েছে মরিয়া হয়ে কংগ্রেস, বিজেপি দুই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পাশাপাশি অনাকে পাশে পেতে চান তৃণমূল কংগ্রেসও কিন্তু বর্ষীয়ান গাঁধী নেতা আন্ননা কোন দিকেই সমর্থন দেননি। এমনকি, যে আন্দোলন থেকে জন্ম গ্রহণ অনুগমী অরবিন্দ কেজরিবালের ‘আম আদমী পার্টি’ (আপ) এর সাথে সাথে যোগাযোগ রাখুননি। কৃষকদের সঙ্গে বাম আন্দোলন মনিতে চাপে কেন্দ্রীয় সরকার চাপ বাড়ানো কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলসমূহ ইতিমধ্যে আন্না হাজার হাজার we অনশন নতুন চাপ তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় মোদির সরকার উপরে।

জলপাইগুড়িতে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি, আজ অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের শুনানি

জলপাইগুড়িতে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি, আজ অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের শুনানি

Representative Image
জলপাইগুড়িতে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতির ঘটনায় আজ অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের শুনানি। দুপুর দুটোয় প্রধান শিক্ষক হরিদয়াল রায়ের শুনানি হবে।এদিকে, প্রশ্ন জালিয়াতির জেরে স্কুলে শিক্ষকদের শৃঙ্খলাবিধি নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল স্কুল শিক্ষা দফতর। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন করতে পারবেন না। পরীক্ষার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। স্কুলে ধূমপান, তাস খেলা নিষিদ্ধ। অভিযোগ প্রমাণে কড়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত। নয়া নির্দেশিকা মেনেই প্রশ্ন জালিয়াতি শুনানি হবে। শাস্তিও হবে নয়া নির্দেশিকা মেনেই।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ নিবেদিতা ভবনে ময়নাগুড়ির সুভাষনগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হরিদয়াল রায়কে তবল করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্যদেরও। প্রশ্নপত্র জালিয়াতি করে ফার্স্ট বয়কে উত্তর জানানোর অভিযোগে ইতিমধ্যেই হরিদয়ালকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁকে উচ্চ মাধ্যমিকের দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর। পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের ভিতরেও ঢুকতে পারবেন না তিনি। ময়নাগুড়ি স্কুলের পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন সরকারি আধিকারিক ও স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক।

এবার থেকে শহিদের সন্তানের পড়াশোনার পুরো দায়িত্ব সরকারেরই

দেশের জন্য তাঁরা প্রাণ দেন। পরিবার, সন্ততি কোনও কিছুর পরোয়া না করে ঝাঁপিয়ে পড়েন বিপদের মুখে। প্রাণও বিসর্জন দেন। কিন্তু তারপর তাঁদের সন্তানসন্ততিদের পড়াশোনার ভার কার? এতদিন সরকারি তরফে খানিকটা সাহায্য মিলত। তবে এবার শহিদের সন্তানের পড়াশোনার পুরো ভারই বহন করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই ঘোষণা করা হয়। এর আগেও শহিদের সন্তানের পাশে দাঁড়াত সরকার। তবে অর্থ সাহায্যের নির্দিষ্ট সীমা ছিল। পড়াশোনার খরচ বা বোর্ডিং খরচ বাবদ প্রতি মাসে দশ হাজার টাকা দেওয়া হত। কিন্তু  সবসময় সে অর্থে খরচ চলত না। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা মহলে ক্ষোভ ছিল। যে সেনারা দেশের জন্য প্রাণ দেন, তাঁরা কি আরও একটু বেশি নিশ্চিন্তি পেতে পারেন না? তাঁদের অবর্তমানে সন্তানদের কোনও অসুবিধা হবে না, এতটুকু নিশ্চিত তো সরকার করতেই পারে। দাবি ছিল এমনটাই। প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে এ নিয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন নৌসেনা প্রধান। সে সময় পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

যদিও এতদিন এ ব্যাপারে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ ছিল না সরকারের। তবে দেরিতে হলেও তা এল। সরকারই পুরো দায়িত্ব নেবে বলে জানানো হল। এদিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে কোনও সরকারি স্কুল বা মিলিটারি স্কুল বা কলেজেই শহিদের সন্তান-সন্ততিরা পড়াশোনা চালাবে। এবং সেক্ষেত্রে পুরো শিক্ষার খরচ বহন করবে প্রশাসন। অর্থ সাহায্যের ক্ষেত্রে কোনওরকম ঊর্ধ্বসীমা থাকছে না। এই সুবিধা পাবে যে কোনও শহিদের সন্তান। এছাড়া কর্তব্যরত অবস্থায় যে সেনার অঙ্গহানি হবে তাঁদের সন্তান-সন্ততিও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

>

মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে ফাটল বোমা!

মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন আচমকাই পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে বোমা বিস্ফোরণ। একবার নয়, পরপর দু’বার। আকস্মিকতার ঘোর কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের বিস্ফোরণ। এবার স্কুলের বাথরুমের ভিতর থেকেই ভেসে আসে বিকট শব্দ। ঘটনাকে ঘিরে উলুবেড়িয়া লতিবপুর হাইস্কুলে চাঞ্চল্য।



ভিতরে পরীক্ষা দিচ্ছে সন্তানরা। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা বলে কথা! বাইরে অধীর অপেক্ষায় অভিভাবকরা। স্কুলের ভিতর ‘পিন ড্রপ সাইলেন্স’। আচমকাই বিকট শব্দ, প্রথমে শুনতে পান অভিভাবকরাই কারণ বিস্ফোরণ প্রথমে বাইরে হয়। কারণ খোঁজার আগেই ফের আরেকবার সেই শব্দ। বোমা ফাটার শব্দে প্রথমটায় ভয় পেয়ে যান অভিভাবকরা। বড় কোনও কিছুর আশঙ্কা থেকেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় তাঁদের মধ্যে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষার্থীদেরই একাংশ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। পরীক্ষাকেন্দ্রে কড়া নজরদারি চলছে। তার জন্যই শিক্ষকদের চাপে রাখতে এই কাজ করে তারা। তদন্তে উলুবেড়িয়া থানার পুলিস। 

ভারতীয় জনগণ কে সচেতন করল indian army

ভারতীয় সেনারা নিজেদের টুইটার একাউন্টের একটি টুইট করে ভারতীয় জনগণকে সচেতন করেছে য়ে , chinese হ্যাকাররা অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের digital world hack করার জন্য তারা নানারকম প্রচেষ্টা চালিয়েছে এর আগে ভারতীয় সেনারা কতগুলি application সম্বন্ধে সচেতন করেছেন

কিন্তু এইবার chinese হ্যাকাররা ভারতের digital world হ্যাক করার জন্য whatsapp কে টারগেট করেছে
কিন্তু এতে করে আপনার whatsapp একাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করা হচ্ছে না।
হ্যাকার রা টার্গেট করছে whatsapp groupকে
মানে গ্রুপে শেয়ার হওয়া information তারা চায়। না এখন হয়ত ভাবতে পারেন যে whatsapp group এ শেয়ার হওয়া information নিয়ে তারা কি করবে।
আসলে তারা চাইছে ইন্ডিয়ান আর্মিরতে কর্মরত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করতে । যাতে করে তারা indian army  কিছু সিক্রেট জানতে পারে ।
তো এখন আপনার করণীয় কি?
যদি আপনি কোন গ্রুপের এডমিন হন তাহলে নিজের গ্রুপের ওপর নজর রাখুন +86 থেকে শুরু হওয়া নাম্বার যদি আপনার গ্রুপে থাকে তাহলে এই নাম্বারটি গ্রুপ থেকে সরানোর ব্যবস্থা করুন
যদি আপনি গ্রুপে মেম্বার হয়ে থাকে তাহলে +86 থেকে শুরু হওয়া নাম্বার দেখলে রিপোর্ট করুন
মনে রাখবেন +86 হল চায়নার country code যেমন ভারতের +91। জরুরী নয় +86  থেকে শুরু হওয়া সমস্ত number chinese hacker দের  হবে এটি আপনার কোন চাইনিজ বন্ধুও হতে পারে
যদি তা না হয় তাহলে রিপোর্ট করুন ও নাম্বারটি কে ডিলিট করুন
 Indian army Twitter account
মনে রাখবেন আপনার সুরক্ষা আপনার হাতে।