যেখানে সমগ্র প্রিথিবী কাগজ বর্জন করে ডিজিটাল হতে চেষ্টা করছে
কিছু ভারতীয় রাজনৈতিক দল …চাইছে আবার পেপার ব্যালট  দিয়ে নির্বাচন করা হোক , কারন EVM নাকি বিশ্বাস যোগ্য নয় ।

2004 সালে ভারতের সব নির্বাচন কেন্দ্রে 0 . 75 লাখEVM | মেশিন ব্যবহার করে ভারত বিশ্বের প্রথম ই – গণতন্ত্র হয় ।

সারা বিশ্বে ১৮ টি দশে কোন না কোন জান্ত্রিক মেসিন দিয়া হয় (Argentina,armenia,Australla,Bangladash,Brazil,Bulgaria,canada,Chil,Estoia,Italy,Mexico,Peru,Philippines,Switzeriland,South Koria ,USA,Venezuela)

যদিও কিছু দেশ এখনো পুরনো পদ্ধতি ব্যবহার করে

আজ আমি বলব কেনো EVM হ্যাক করা সম্ভব নয়

১ঃ  কন্ট্রোল ইউনিট আর ব্যালট ইউনিট একটা 5 মিটার লম্বা তার দিয়ে জোড়া থাকে ।যখন কোনও ব্যক্তি ভােট দিতে বুথে প্রবেশ করে ।
পােলিং অফিসারকে তার কন্ট্রোল ইউনিটে “ ব্যালট ” সুইচ প্রেস করতে হয় ।
আর এটা হওয়ার পরেই , শুধুমাত্র EVM মেশিনে সবুজ আলাে । জ্বলবে আর আপনার ভােট গ্রহণের জন্য তৈরি হবে । তার আগে নয় ।

আর একবার আপনার ভােট দেওয়া হয়ে গেলে কন্ট্রোল ইউনিটে একটা বিপ শব্দ হয় যাতে পােলিং অফিসার বুঝতে পারেন যে আপনার ভােট দেওয়া হয়ে গেছে ।

২   ব্যালট বাক্সে সিঙ্গেল ইউস প্রােগ্রামেবল চিপ ব্যবহার করা হয় । তাই , একবার আপনি ভােট দিয়ে দিলে সেটাকে কোনওভাবেই কেউ বদল করতে পারবে না ।

৩   একটি নির্দিষ্ট কন্ট্রোল ইউনিটের জন্য তার ব্যালট ইউনিটও নির্দিষ্ট । তাই এই । ইউনিটের কোনও একটি বদলাতে গেলেই ডিসপ্লেতে “ এরর মােড ” লেখা আসবে । ।

ভােট শুধুমাত্র নির্বাচনের দিন গৃহীত হয় ।

তাই নির্বাচনের দিন পেড়িয়ে গেলে ভােট নিয়ে কারচুপি করা অসম্ভব ।
একবার ভােটিং বন্ধ হয়ে গেলে , কন্ট্রোল ইউনিট থেকে একটা রসিদ প্রিন্ট হয় ।
বুথে উপস্থিত সব অফিসার এবং প্রতিটি প্রার্থীর প্রতিনিধিদের দিয়ে সেই রসিদটি সই করানাে হয় ।
রসিদের একটা কপি সমস্ত প্রতিনিধিদের দেওয়া হয় , যাতে সেই বুথে কটা ভােট পরেছে তার প্রমাণ তাদের কাছে থাকে ।
একবার সই করা হয়ে গেলে , রসিদটিকে EVM এর মধ্যে রেখে মেশিনটিকে সিল করে দেওয়া হয় ।

  যখন কোনও ভােট দেওয়া হয় সঙ্গে সঙ্গে তার সময় নথিভুক্ত হয়ে যায় , তাই নির্বাচনের সময় পেড়িয়ে গেলে ভােট যােগ করা অসম্ভব ।

অনলাইন হ্যাক করা অসম্ভব ।

কোনও ইউনিটেই ওয়াইফাই বা বলুটুথ কানেক্টিভিটি নেই । তাই অসৎ উদ্দেশ্যপূর্ণ কোড দিয়ে অনলাইন হ্যাক করাও সম্ভব নয় ।

আন্ডারটেকার প্রােটেকশন

নির্বাচনের আগে ও পরে , EVM মেশিনগুলিকে বন্ধ কন্টেনারে বা সিল্ড ট্রাকে করে নির্বাচন কেন্দ্রে আনা হয় বা নির্বাচন কেন্দ্র থেকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশ এসকর্টের সঙ্গে ।
যা সর্বদা জি পি এস এর মাধ্যমে সমস্ত দল ট্র্যাক করে ।
ভােটের আগে এবং পরে সমস্ত EVM মেশিনগুলিকে একটা স্ট্রং রুমে রাখা হয় ।
| যেখানে CRPF বা সেনা জওয়ানরা পাহারা দেয় ।
নাকি প্রিন্টিং প্রেস থেকে এটা নিরাপত্তা সীল দিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সিল করা হয় ।
তারা ভােট গণনার দিন পর্যন্ত 24 / 7 ওখানে শিবির করে থাকে


লেখক :-Suman Haldar

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *