চলে গেলেন ভারতের আরেক রত্ন! শচিন সহ সকলে গেলেন শ্মশানে আত্বার শান্তি কামনায়

একটা প্রচলিত কথা আছে, ‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে’। অর্থাৎ জন্ম নিলে মরতেই হবে। সে সমস্ত প্রাণী দের ক্ষেত্রেই এই কথাটি প্রযোজ্য। একবার জন্ম গ্রহণ করলে তাকে মরতেই হবে, এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে কেউ অমর হয় না। কেউ অমর হতে পারে না। একটা সময় পরে সকলকেই মরতে হয়।

কিন্তু কোন প্রাণী বা মানুষের তো স্বাভাবিক ভাবেই মৃত্যু হওয়া উচিত। কিন্তু এমন অনেক ঘটনা প্রতিনিয়ত আমাদের চোখের সামনে আমরা দেখতে পাই, বা এনন অনেক মৃত্যু আমাদের চোখের সামনে ঘটে যেগুলো খুবই অবাস্তব ভাবে ঘটে, যেগুলো হয়তো ঘটার ছিল না, কিন্তু ঘটে গেছে। এমন অনেক মৃত্যুই ঘটে যেগুলো সত্যিই আনএক্সপেক্টেড। কিন্তু ঘটে যায় এমন মৃত্য প্রায়ই আমাদের চোখের সামনে। তেমনই সম্প্রতি মারা গেলেন রাজ্যরাজনীতির এক বিখ্যাত মানুষ। কে তিনি, জেনে নিন বিস্তারিত।

মৃত্যু বলতে জীবনের সমাপ্তি বুঝায়। জীববিজ্ঞানের ভাষায় প্রাণ আছে এমন কোন জৈব পদার্থের জীবনের সমাপ্তিকে মৃত্যু বলে। অন্য কথায়, মৃত্যু হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন সকল শারিরীক কর্মকাণ্ড যেমন শ্বসন, খাদ্য গ্রহণ, পরিচলন, ইত্যাদি থেমে যায়। কোন জীবের মৃত্যু হলে তাকে মৃত বলা হয়।

বুধবার প্রয়াত হয়েছেন সচিন তেণ্ডুলকরের ছোটবেলার কোচ রমাকান্ত আচরেকর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে আচরেকরের মুম্বইয়ের বাড়িতে আসেন সচিন। প্রিয় মাস্টারের শেষকৃত্যে ছিলেন তিনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *