দেশের জন্য তাঁরা প্রাণ দেন। পরিবার, সন্ততি কোনও কিছুর পরোয়া না করে ঝাঁপিয়ে পড়েন বিপদের মুখে। প্রাণও বিসর্জন দেন। কিন্তু তারপর তাঁদের সন্তানসন্ততিদের পড়াশোনার ভার কার? এতদিন সরকারি তরফে খানিকটা সাহায্য মিলত। তবে এবার শহিদের সন্তানের পড়াশোনার পুরো ভারই বহন করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই ঘোষণা করা হয়। এর আগেও শহিদের সন্তানের পাশে দাঁড়াত সরকার। তবে অর্থ সাহায্যের নির্দিষ্ট সীমা ছিল। পড়াশোনার খরচ বা বোর্ডিং খরচ বাবদ প্রতি মাসে দশ হাজার টাকা দেওয়া হত। কিন্তু  সবসময় সে অর্থে খরচ চলত না। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা মহলে ক্ষোভ ছিল। যে সেনারা দেশের জন্য প্রাণ দেন, তাঁরা কি আরও একটু বেশি নিশ্চিন্তি পেতে পারেন না? তাঁদের অবর্তমানে সন্তানদের কোনও অসুবিধা হবে না, এতটুকু নিশ্চিত তো সরকার করতেই পারে। দাবি ছিল এমনটাই। প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে এ নিয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন নৌসেনা প্রধান। সে সময় পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

যদিও এতদিন এ ব্যাপারে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ ছিল না সরকারের। তবে দেরিতে হলেও তা এল। সরকারই পুরো দায়িত্ব নেবে বলে জানানো হল। এদিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে কোনও সরকারি স্কুল বা মিলিটারি স্কুল বা কলেজেই শহিদের সন্তান-সন্ততিরা পড়াশোনা চালাবে। এবং সেক্ষেত্রে পুরো শিক্ষার খরচ বহন করবে প্রশাসন। অর্থ সাহায্যের ক্ষেত্রে কোনওরকম ঊর্ধ্বসীমা থাকছে না। এই সুবিধা পাবে যে কোনও শহিদের সন্তান। এছাড়া কর্তব্যরত অবস্থায় যে সেনার অঙ্গহানি হবে তাঁদের সন্তান-সন্ততিও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

>

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *