EVM : ইলেকট্রনিক ভােটিং মেশিন কি বিশ্বাসযােগ্য ?

যেখানে সমগ্র প্রিথিবী কাগজ বর্জন করে ডিজিটাল হতে চেষ্টা করছে
কিছু ভারতীয় রাজনৈতিক দল …চাইছে আবার পেপার ব্যালট  দিয়ে নির্বাচন করা হোক , কারন EVM নাকি বিশ্বাস যোগ্য নয় ।

2004 সালে ভারতের সব নির্বাচন কেন্দ্রে 0 . 75 লাখEVM | মেশিন ব্যবহার করে ভারত বিশ্বের প্রথম ই – গণতন্ত্র হয় ।

সারা বিশ্বে ১৮ টি দশে কোন না কোন জান্ত্রিক মেসিন দিয়া হয় (Argentina,armenia,Australla,Bangladash,Brazil,Bulgaria,canada,Chil,Estoia,Italy,Mexico,Peru,Philippines,Switzeriland,South Koria ,USA,Venezuela)

যদিও কিছু দেশ এখনো পুরনো পদ্ধতি ব্যবহার করে

আজ আমি বলব কেনো EVM হ্যাক করা সম্ভব নয়

১ঃ  কন্ট্রোল ইউনিট আর ব্যালট ইউনিট একটা 5 মিটার লম্বা তার দিয়ে জোড়া থাকে ।যখন কোনও ব্যক্তি ভােট দিতে বুথে প্রবেশ করে ।
পােলিং অফিসারকে তার কন্ট্রোল ইউনিটে “ ব্যালট ” সুইচ প্রেস করতে হয় ।
আর এটা হওয়ার পরেই , শুধুমাত্র EVM মেশিনে সবুজ আলাে । জ্বলবে আর আপনার ভােট গ্রহণের জন্য তৈরি হবে । তার আগে নয় ।

আর একবার আপনার ভােট দেওয়া হয়ে গেলে কন্ট্রোল ইউনিটে একটা বিপ শব্দ হয় যাতে পােলিং অফিসার বুঝতে পারেন যে আপনার ভােট দেওয়া হয়ে গেছে ।

২   ব্যালট বাক্সে সিঙ্গেল ইউস প্রােগ্রামেবল চিপ ব্যবহার করা হয় । তাই , একবার আপনি ভােট দিয়ে দিলে সেটাকে কোনওভাবেই কেউ বদল করতে পারবে না ।

৩   একটি নির্দিষ্ট কন্ট্রোল ইউনিটের জন্য তার ব্যালট ইউনিটও নির্দিষ্ট । তাই এই । ইউনিটের কোনও একটি বদলাতে গেলেই ডিসপ্লেতে “ এরর মােড ” লেখা আসবে । ।

ভােট শুধুমাত্র নির্বাচনের দিন গৃহীত হয় ।

তাই নির্বাচনের দিন পেড়িয়ে গেলে ভােট নিয়ে কারচুপি করা অসম্ভব ।
একবার ভােটিং বন্ধ হয়ে গেলে , কন্ট্রোল ইউনিট থেকে একটা রসিদ প্রিন্ট হয় ।
বুথে উপস্থিত সব অফিসার এবং প্রতিটি প্রার্থীর প্রতিনিধিদের দিয়ে সেই রসিদটি সই করানাে হয় ।
রসিদের একটা কপি সমস্ত প্রতিনিধিদের দেওয়া হয় , যাতে সেই বুথে কটা ভােট পরেছে তার প্রমাণ তাদের কাছে থাকে ।
একবার সই করা হয়ে গেলে , রসিদটিকে EVM এর মধ্যে রেখে মেশিনটিকে সিল করে দেওয়া হয় ।

  যখন কোনও ভােট দেওয়া হয় সঙ্গে সঙ্গে তার সময় নথিভুক্ত হয়ে যায় , তাই নির্বাচনের সময় পেড়িয়ে গেলে ভােট যােগ করা অসম্ভব ।

অনলাইন হ্যাক করা অসম্ভব ।

কোনও ইউনিটেই ওয়াইফাই বা বলুটুথ কানেক্টিভিটি নেই । তাই অসৎ উদ্দেশ্যপূর্ণ কোড দিয়ে অনলাইন হ্যাক করাও সম্ভব নয় ।

আন্ডারটেকার প্রােটেকশন

নির্বাচনের আগে ও পরে , EVM মেশিনগুলিকে বন্ধ কন্টেনারে বা সিল্ড ট্রাকে করে নির্বাচন কেন্দ্রে আনা হয় বা নির্বাচন কেন্দ্র থেকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশ এসকর্টের সঙ্গে ।
যা সর্বদা জি পি এস এর মাধ্যমে সমস্ত দল ট্র্যাক করে ।
ভােটের আগে এবং পরে সমস্ত EVM মেশিনগুলিকে একটা স্ট্রং রুমে রাখা হয় ।
| যেখানে CRPF বা সেনা জওয়ানরা পাহারা দেয় ।
নাকি প্রিন্টিং প্রেস থেকে এটা নিরাপত্তা সীল দিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সিল করা হয় ।
তারা ভােট গণনার দিন পর্যন্ত 24 / 7 ওখানে শিবির করে থাকে


লেখক :-Suman Haldar

সন্ন্যাসী হওয়ার তালিকায় যাঁরা নাম লিখিয়েছেন তাঁরা অনেকেই রীতিমতো উচ্চশিক্ষিত ইঞ্জিনিয়ার এবং এম বি এ গ্র্যাজুয়েট! নিজেদের কেরিয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন তাঁরা মোক্ষ লাভের আশায়

সন্ন্যাসী হওয়ার তালিকায় যাঁরা নাম লিখিয়েছেন তাঁরা অনেকেই রীতিমতো উচ্চশিক্ষিত ইঞ্জিনিয়ার এবং এম বি এ গ্র্যাজুয়েট! নিজেদের কেরিয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন তাঁরা মোক্ষ লাভের আশায়

প্রয়াগরাজের (এলাহাবাদের) কুম্ভ মেলা, ১২ বছর পর-পর সে এক বিশাল ব্যাপার! সারা দেশ থেকে গঙ্গা-যমুনার মোহনায় এসে উপস্থিত হন লক্ষ-লক্ষ মানুষ। হ্যাঁ, সাধারন দর্শনার্থীরা তো থাকেনই, পাশাপাশি থাকেন প্রচুর সাধু-সন্ন্যাসীও। এই বছর মহা কুম্ভ শুরু হয়েছিল গত ১৫ জানুয়ারি। আর সেখানেই এসেছেন হাজার-হাজার এমন মানুষ, যাঁরা আর ফিরে যেতে চান না রোজকার জীবনে। ভাবছ, তাতে আর নতুন কী? প্রতি বছরই তো কত মানুষ সন্ন্যাসী হয়ে যান! আশ্চর্য এটাই যে, এবছরের মেলায় সন্ন্যাসী হওয়ার তালিকায় যাঁরা নাম লিখিয়েছেন তাঁরা অনেকেই রীতিমতো উচ্চশিক্ষিত ইঞ্জিনিয়ার এবং এম বি এ গ্র্যাজুয়েট! নিজেদের কেরিয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন তাঁরা মোক্ষ লাভের আশায়। ১০-১২ জন নয়, প্রায় ১০,০০০ মানুষ নাকি এবার অপেক্ষায় রয়েছেন সাধু হওয়ার জন্য!

ম্যাগিতে রয়েছে বিষাক্ত সিসা! সুপ্রিম কোর্টে মেনে নিল নেসলে

বিপদ এখনও কাটেনি! ‘শুদ্ধিকরণ’-এর পরে নির্ভয়ে যে Maggi খাচ্ছেন, তাতেও রয়েছে বিষাক্ত সিসা! সুপ্রিম কোর্টে দাঁড়িয়ে এ কথাই স্বীকার করে নিল নেসলে।

নেসলে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ন্যাশনাল কনজিউমার ডিসপুটস রিড্রেসাল কমিশনে (NCDRC) সরকারি মামলা বৃহস্পতিবার ফের তোলা হল শীর্ষ আদালতে। অনৈতিক ব্যবসা, ভুল লেবেলিং ও ভুল পথে চালিত করা বিজ্ঞাপনের অভিযোগে এই মামলায় নেসলের থেকে ৬৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে কোম্পানির আইনজীবী স্বীকার করে নেন ২ মিনিটের জনপ্রিয় ন্যুডলসে সিসা রয়েছে।

নেসলের আইনজীবীকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কেন তিনি সিসাযুক্ত ন্যুডলস খাবেন? জবাবে আইনজীবী বলেন, সিসা থাকে পারমিসিবল লিমিটের মধ্যে। বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃ্ত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, মাইসুরুর সেন্ট্রাল ফুড টেকনোলজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ম্যাগির নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে শুনানি চলবে। NCDRC-তে নেসলে ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রক। ম্যাগি ন্যুডল স্বাস্থ্যকর বলে দাবি করে নেসলে ক্রেতাদের ভুলপথে চালিত করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। নেসলে অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করলে সেই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

ম্যাগিতে প্রচুর পরিমাণে সিসা ও মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট রয়েছে বলে প্রমাণিত হওয়ার পর বাজার থেকে ম্যাগির যাবতীয় প্রডাক্ট তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিল নেসলে। ম্যাগিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেl

চলে গেলেন ভারতের আরেক রত্ন! শচিন সহ সকলে গেলেন শ্মশানে আত্বার শান্তি কামনায়

চলে গেলেন ভারতের আরেক রত্ন! শচিন সহ সকলে গেলেন শ্মশানে আত্বার শান্তি কামনায়

একটা প্রচলিত কথা আছে, ‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে’। অর্থাৎ জন্ম নিলে মরতেই হবে। সে সমস্ত প্রাণী দের ক্ষেত্রেই এই কথাটি প্রযোজ্য। একবার জন্ম গ্রহণ করলে তাকে মরতেই হবে, এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে কেউ অমর হয় না। কেউ অমর হতে পারে না। একটা সময় পরে সকলকেই মরতে হয়।

কিন্তু কোন প্রাণী বা মানুষের তো স্বাভাবিক ভাবেই মৃত্যু হওয়া উচিত। কিন্তু এমন অনেক ঘটনা প্রতিনিয়ত আমাদের চোখের সামনে আমরা দেখতে পাই, বা এনন অনেক মৃত্যু আমাদের চোখের সামনে ঘটে যেগুলো খুবই অবাস্তব ভাবে ঘটে, যেগুলো হয়তো ঘটার ছিল না, কিন্তু ঘটে গেছে। এমন অনেক মৃত্যুই ঘটে যেগুলো সত্যিই আনএক্সপেক্টেড। কিন্তু ঘটে যায় এমন মৃত্য প্রায়ই আমাদের চোখের সামনে। তেমনই সম্প্রতি মারা গেলেন রাজ্যরাজনীতির এক বিখ্যাত মানুষ। কে তিনি, জেনে নিন বিস্তারিত।

মৃত্যু বলতে জীবনের সমাপ্তি বুঝায়। জীববিজ্ঞানের ভাষায় প্রাণ আছে এমন কোন জৈব পদার্থের জীবনের সমাপ্তিকে মৃত্যু বলে। অন্য কথায়, মৃত্যু হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন সকল শারিরীক কর্মকাণ্ড যেমন শ্বসন, খাদ্য গ্রহণ, পরিচলন, ইত্যাদি থেমে যায়। কোন জীবের মৃত্যু হলে তাকে মৃত বলা হয়।

বুধবার প্রয়াত হয়েছেন সচিন তেণ্ডুলকরের ছোটবেলার কোচ রমাকান্ত আচরেকর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে আচরেকরের মুম্বইয়ের বাড়িতে আসেন সচিন। প্রিয় মাস্টারের শেষকৃত্যে ছিলেন তিনি।

কেন্দ্র থেকে বড় ঘোষণা নতুন বছরের শুরুতে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আসতে চলেছে এক বড় পরিবর্তন।

বৈদ্যুতিক বিল নিয়ে আমাদের অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। অনেকের অভিযোগ থাকে বেশি বিল চলে এসেছে।অনেকেই প্রচুর ইলেকট্রিক পুড়িয়ে মাসের শেষে যখন বিল হাতে পায় তখন মাথায় হাত দেয়। তবে মোদি সরকার এই সমস্যার সমাধান করতে চলেছেন। আমরা যেমন মোবাইল ফোনে প্রিপেইড বিল ব্যবহার করি তেমনি বৈদ্যুতিক বিল এবার প্রিপেড হতে চলেছে। আগেই বিদ্যুতের বিলের টাকা দিতে হবে। কিন্তু সেটা কখনোই বেশি নেওয়া হবে না। আপনার যতটা দরকার ততটাই দিতে হবে অর্থাৎ আমাদের রিচার্জ করতে হবে।
এই সোমবার বিদ্যুৎ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এ নির্দেশিকা জারি করা হয়।
আর এই নির্দেশিকা অনুসারে আগামী বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম দিন থেকেই বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার চালু হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই প্রিপেইড মিটার এপ্রিল মাসের আগেও চালু হয়ে যেতে পারে। তবে এই ব্যবস্থা চালু করার আগে প্রতিটি গ্রাহকের ঘরে আলাদা করে মিটার বসাতে হবে। ওই মিটারে গ্রাহকরা জানতে পাবে যে কতটা বৈদ্যুতিক ব্যবহার করা হয়েছে। এদিকে যেমন বিদ্যুৎ ব্যবহার সম্পর্কে গ্রাহকরা জানতে পারবে তেমনি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা গুলিও বিদ্যুতের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারবে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী আরকে সিং পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা গুলির থেকে গ্রাহকদের পরিষেবাটি কে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। তিনি বলেছেন যে,’অনেক জায়গা থেকেই বিল বেশি আসার অভিযোগ আসছে।
এখন মাত্র 30 টাকার বিনিময়ে করাতে পারেন 5 লক্ষের চিকিৎসা পরিষেবা। health insurance
এর ফলে গ্রাহকদের আর ওই সমস্যায় পড়তে হবে না। তাই এই প্রিপেইড মিটারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’এই নতুন মিটারে গ্রাহক যেরকম চাইবেন সেরকম ভাবেই বিল দিতে পারবেন । প্রতি মাসে বিল দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না । অর্থাৎ এক্ষেত্রে বিল দেওয়ার সম্পূর্ণ ক্ষমতা গ্রাহকদের হাতে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে । তিনি এও জানান যে এ বিষয়টি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।

ক্যান্সারের টিকা আবিষ্কার করল কিউবার বিজ্ঞানীরা

ক্যান্সারের মতাে মারণ রােগ এখন প্রায় মহামারীর আকার ধারণ করেছে । এই রােগকে আয়ত্তে আনতে দিন – রাত এক করে ফেলেছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক থেকে বিশেষজ্ঞরা । ক্যান্সার রােগকে নির্মূল করার পরীক্ষা – নিরীক্ষায় নিজেকে অর্পণ করে দিয়েছেন বহু বিজ্ঞানী । তবুও এই রােগের নির্দিষ্ট ওষুধ আনতে সক্ষম হননি কেউই । এবার সেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিল কিউবা !
তবে ক্যান্সার রােগে আক্রান্তদের জন্য সত্যিই সুখবর । এখনও পর্যন্ত এই মারণ রােগের চিকিৎসা বলতে অত্যন্ত কষ্টকর কেমােথেরাপি ও রেডিয়েশন পদ্ধতির মতাে । কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে । এবার হয়তাে মুক্তি মিলবে এই সুদূরপ্রসারী চিকিৎসাব্যাবস্থা থেকে । মারণ রােগকে নির্মূল করতে কিউবার একটি ছােট দলের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে ফেলেছেন একটি বিস্ময়কর টিকা ।
তাঁদের দাবি , এই টিকার সাহায্যেই ক্যান্সার রােগ নির্মূল করা সম্ভব । সেটা হাতেনাতে প্রমাণ পেতে ইতােমধ্যেই ৪ হাজারেরও বেশি আক্রান্তদের উপর পরীক্ষা করা হয়েছে । যাঁরা এখন স্বাভাবিক মানুষের মতােই সুস্থ হয়ে উঠেছেন । ভাবছেন , এই ভ্যাকসিনের দাম অত্যন্ত বেশি হবে ? কিন্তু কিউবার বিজ্ঞানীদের কথায় , মধ্যবিত্তের সামর্থ্যের মধ্যেই মিলবে এই অত্যন্ত জরুরি টিকা ।
কিউবার বিজ্ঞানীদের অসাধ্য সাধন কর্মকাণ্ডকে বাহবা । জানিয়েছে সায়েন্টিফিক কমিউনিটি । শুধু বিজ্ঞানীরাই নন , বহু চিকিৎসকও এই ভ্যাকসিন প্রয়ােগ করে আক্রান্তদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ করেছেন । পরে দেখা গিয়েছে , ওই রােগীদের শরীর থেকে ক্যান্সারের কোষের দেখা মেলেনি । বিজ্ঞানীদের দাবি , ক্যান্সারের অ্যাডভান্সড স্টেজেও এই টিকা দারুণভাবে কাজ করবে । কেমােথেরাপি ও রেডিয়েশনের মতাে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এই ভ্যাকসিনে নেই । কিউবার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন , ভ্যাকসিনের প্রভাবে দ্রুত সেরে উঠবে ব্রেস্ট , ইউটেরাস ও প্রস্টেট ক্যান্সার । আর এই তিনটি ক্যান্সারের প্রকোপই সবচেয়ে বেশি ।
উল্লেখ্য শরীরের মধ্যে অ্যান্টিবডিটাই ক্যান্সার কোষে পরিণত হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে । অনেকেই এড়িয়ে যান , আবার বেশিরভাগই ধরা পড়ে একদম শেষের দিকে গিয়ে । তবে বেশ কিছু থেরাপির মাধ্যমে এই রােগ সারানাে সম্ভব হয়েছে । কিন্তু নতুন আবিষ্কার এই ভ্যাকসিন প্রয়ােগে দ্রুত সেরে উঠছেন রােগীরা । আর সম্প্রতি বসনিয়া , প্যারাগুয়ে , কলম্বিয়া ও পেরুতে মিলছে এই ভ্যাকসিন । উল্লেখ্য , এই মহামূল্যবান ভ্যাকসিনটি যেহেতু কিউবা থেকে আবিষ্কার হয়েছে , তাই কিউবার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনটি বিনামূল্যেই দেওয়া হচ্ছে । আর ভিনদেশের যাঁরা এই ভ্যাকসিন পেতে চান , তাঁরাকিউবার মেডিক্যাল সার্ভিসে যােগাযােগ করতে পারেন আপনি নিজেই ।
সমস্ত তথ্য জানুন এখানে . . . কিউবার কোথায় এই ভ্যাকসিন পাবেন , কোথায় যােগাযােগ করবেন . . . কিউবার ল্যাবিওফ্যাম কোম্পানির EscoZul এই ভ্যাকসিন বিক্রি করে । ঠিকানা : 16 1 / 2 Boyeros , Santiago de las Vegas , Havana , Cuba Tel : + 53 683 3188 / 683 2151 , fax : 683 2151 , tel : 537 683 2151 phone Dr . Verges – radiologist and Niudis Cruz : 537 6830924 , e > mail : niudis . cruz @ infomed . sld . cu ও labiofam @ ceniai . inf . cu .
সেন্টার ফর হেলথ থেকেও পাওয়া যাবে ভ্যাকসিন । সেখানকার ঠিকানাও দেওয়া হল , Director – Dr . Jose Andres Lopez Losada , [ email protected ] Number : + 5378322202 , “ Health Tourism ” : Calle230 entre 15A and 17 , Siboney , Havana , Cuba , tel . + 53 733 – 7473 al74 Fax : + 53 733 – 7198+ 53 7 33 – 7199 , email : [ email protected ] Web : Centro Internacional de Salud La Pradera এছাড়া যােগাযােগ করতে পারেন ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ অনকোলজি – তে . . IstitutoNacional de Oncologia y Radiobiologia – INOR , address : Calle 29 , esq . F , Vedado , Plaza de la Revolución , Havana , Cuba , tel . ( 537 ) 8325865 , ( 537 ) 8382576 , ( 537 ) 8382578 . ( 537 ) 8375440 . Fax ( 537 ) 8382593 , Website www . inor . sld . cu এই ভ্যাকসিনের খোঁজ করবেন অনেকেই । তাঁদের সুবিধার্থেই এই জরুরি তথ্যগুলি দিয়ে দেওয়া হল । আশা করি , বহু মানুষ ও পরিবারের কাজে আসবে ।

এখন মাত্র 30 টাকার বিনিময়ে করাতে পারেন 5 লক্ষের চিকিৎসা পরিষেবা। health insurance

এখন মাত্র 30 টাকার বিনিময়ে করাতে পারেন 5 লক্ষের চিকিৎসা পরিষেবা। health insurance

এখন মাত্র 30 টাকার বিনিময়ে করাতে পারেন 5 লক্ষের চিকিৎসা পরিষেবা। health insurance

প্রতিবারের মতো এবারও মোদি সরকার জনসাধারণের জন্য একটি 30 টাকার ম্যাজিক নিয়ে এলো। হ্যাঁ এটা এক ধরনের ম্যাজিকই বলতে পারেন। মাত্র 30 টাকা জমা করলে আপনার চিকিৎসার খরচ বাঁচতে পারে 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত। শুনে অবাক লাগলো তো? কিন্তু এটাই সত্যি হতে চলেছে। আয়ুসমান ভারত যোজনা প্রকল্পের প্রধানমন্ত্রীর জন্য আরোগ্য যোজনার ভিতরে সাধারণ মানুষেরা  এই সুবিধাটির পাবেন। এমন অনেক মানুষ আছে যারা টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেনা। তাদের জন্য বিশেষ করে এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে মোদি সরকারের তরফ থেকে।

এই প্রকল্পে যারা রেজিস্টার করবে তাদেরকে একটি করে golden card দেওয়া হবে। আর এই  golden card ব্যবহার করে শহরের নানান নামি দামি হসপিটালে সাধারণ মানুষেরা চিকিৎসার সুযোগ পাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাঁচিতে 23 শে সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পটির শুভ উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন এই প্রকল্পটিতে কোন কাগজ কোন টাকা পয়সা লাগবে না। গরিব এবং অভাবী মানুষদের জন্য 5 লক্ষ টাকা করে health insurance  দেওয়া হবে।health insurance টিতে রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য লেখা থাকবে। তাই চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর কাছে ওই card থাকা বাধ্যতামূলক। যদি এ বিষয়ে আরো বিশদে জানার থাকে তাহলে mera.pmjay.gov.inএই ওয়েবসাইটে দেখে নিতে পারেন। অথবা আপনি কল করতে পারেন 14555 এই হেল্পলাইন নম্বরটিতে।
আবার অপরদিকে উত্তর প্রদেশের সরকারও এই health insurance টি নিয়ে এসেছে PMJAY এই health insurence । যেখানে রাজ্যের প্রায় 1.18 কোটি দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবেন। এখনো পর্যন্ত এই প্রকল্পটিতে 274 টি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আবার আরো 700 টি হাসপাতাল এই প্রকল্পটিতে যুক্ত করার জন্য আগ্রহী হয়েছেন।
আরো এরকম নতুন নতুন খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েব পোর্টালটিতে।


health insurance

বেকার ও গরিবদের অ্যাকাউন্টে মাসের শেষে টাকা! ঘোষণা মোদীর

বেকার ও গরিবদের অ্যাকাউন্টে মাসের শেষে টাকা! ঘোষণা মোদীর

সিংহাসনে বসার পর থেকেই একের পর এক স্কিম এবং যোজনার জন্য তৎপর মোদী। জনগণের সুবিধার্থে এর মধ্যেই বেশ কয়েকটি চালু করে দিয়েছেন। বীমা থেকে শুরু করে দুর্ঘটনা বীমা কিনা করেননি তিনি সাধারণ মানুষের জন্য। আর এই জন্যই সাধারণ মানুষ তাকে জনসাধারণের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনে জায়গা দিয়েছে। তার বেশ কিছু যোজনাই সার্বিক উন্নয়নও এনেছে।
এরকমই শোনা যাচ্ছে যে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের জনসাধারণকে বড় উপহার দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর, সরকারের শেষ বাজেটেই হতে পারে সেই ঘোষণা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম প্রকল্প (UBI) চালু করার ভাবনাচিন্তা করছে মোদী সরকার। আগামিকাল অর্থাত্ ২৭ ডিসেম্বর বৈঠকে এব্যাপারে আলোচনা হতে চলেছে।
ব্যক্তিগত জীবনকাহিনী | ভারতের প্রধানমন্ত্রী – নরেন্দ্র মোদী

দেশের কয়েকটি রাজ্যে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে মাসের শেষে ফেলা হয় টাকা। এই প্রকল্পটিই এবার দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্টে মাসের শেষে ফেলা হবে টাকা। যাতে তাঁরা খরচ চালাতে পারেন।

তবে কাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ফেলা হবে, তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে, বেকারদের অ্যাকাউন্টে মাসের শেষে একটা অর্থ দেওয়া হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট আয়ের নীচে ব্যক্তি বা দারিদ্র সীমার নীচে থাকা ব্যক্তিদেরও এই প্রকল্পে সামিল করার ভাবনা রয়েছে কেন্দ্রের। এনিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতরের কাছে প্রস্তাব চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, ২০ কোটি মানুষ সামিল হতে পারেন এই প্রকল্পে। কোনও শর্ত ছাড়াই মাসের শেষে তাঁদের অ্যাকাউন্ট ঢুকে যাবে টাকা।

ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম প্রকল্পটা কী? এই প্রকল্পের আওতায় মাসের শেষে কোনও শর্ত ছাড়াই একটা নির্দিষ্ট অর্থ ফেলা হয় দেশের নাগরিকের ব্যাঙ্কখাতায়। ১৯৬৭ সালে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন মার্টির লুথার কিং জুনিয়র। পাশ্চাত্যের অনেক দেশেই বেকার ভাতার চল রয়েছে। মধ্যপ্রদেশে ইতিমধ্যেই ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চলেছে পাইলট প্রকল্প। এই প্রকল্পে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে টাকা। পরে সমীক্ষা করে দেখা যায়, তাঁদের জীবনযাত্রা আমূল বদলে গিয়েছে।
বিশ্বের আর কোথায় কোথায় চলছে এই প্রকল্প? সাইপ্রাস, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রদেশ এবং ব্রাজিল, কানাডা, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, সুইডেন, সুইত্জারল্যান্ড ও ব্রিটেনে ইউবিআই চালু রয়েছে।

তবে ভারতের মতো বড় দেশে, তদুপরি বিশাল জনসংখ্যার দেশে কীভাবে চালু করা যাবে? কী-ই বা হবে মানদণ্ড? তা নিয়ে গত দুবছর ধরে আলোচনা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি।
শুধু সুবিধাভোগীদের সনাক্তকরণই নয়, এই প্রকল্প চালু হলে দরকার হবে প্রচুর অর্থের। সেই টাকা আসবে কোথা থেকে? অর্থ দেওয়া হলেও তার চাপ পড়বে দেশের কোষাগারে। আবার অনেকের মতে, ঘরে বসে বসে ব্যাঙ্কে টাকা আসলে অনেকেই আর কাজে মন দেবেন না। তখন সুলভে শ্রমিক মিলবে না। একশো দিনের কাজ নিয়েও এই অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে। অর্থনীতি থেকে মানদণ্ড- সব দিকই খতিয়ে দেখছে দিল্লি। সূত্রের খবর, ২০১৯ সালের বাজেটের আগেই ঘোষণা হতে পারে ‘ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম’ প্রকল্প।

তবে ভোটের আগে বাজেটে এই ঘোষণা করতে পারলে বিরোধীদের হাওয়া কেড়ে নিতে পারেন নরেন্দ্র মোদী, মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। ইতিমধ্যেই ১৫ লক্ষ টাকা কবে পাব সেনিয়ে খোঁচা দেন বিরোধী নেতানেত্রীরা। তার মোক্ষম জবাব দিতে পারবেন নমো।